এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ২.৫ ওভারে এক উইকেটে ১২ রান।
পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ৫০ ওভারে আট উইকেটে ৩০৬ রান করেছে বাংলাদেশ।
.png)
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন ডেভিড ওয়ার্নার ও ট্রাভিস হেড। রান তাড়ায় বেশ সাবধানে এগোতে থাকেন এ দুই ব্যাটার। তবে ম্যাচের তৃতীয় ওভারেই হেডকে বোল্ড করেন তাসকিন। সাজঘরে ফেরার আগে ১০ করেন তিনি।
পরে বাইশ গজে আসেন মিচেল মার্শ। তাকে সঙ্গে নিয়ে দলীয় ইনিংস এগিয়ে নিচ্ছেন ওয়ার্নার। এখন মার্শ ১২ এবং ওয়ার্নার ৩ রানে ব্যাটিং করছেন।
এর আগে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। বাংলাদেশকে ভালো শুরু এনে দেন লিটন দাস ও তানজিদ হাসান তামিম। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৭৬ রান। দুই ওপেনারই আউট হওয়ার আগে সমান ৩৬ করে রান করেন।
তিনে নামা শান্ত ছিলেন ফিফটির পথে। তবে ৪৫ রানে রান আউটের শিকার হন তিনি। বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচ ব্যাট হাতে রাঙাতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বা মুশফিকুর রহিমের কেউই। এ দুই ব্যাটার ফেরেন যথাক্রমে ৩২ ও ২১ রানে।
সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মাঝে অর্ধশতক পূরণ করেন চারে নামা তাওহীদ হৃদয়। ৬১ বলে মাইলফলকে পৌঁছান এ ব্যাটার। ৭৯ বলে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৪ রান করে আউট হন তিনি। মেহেদী মিরাজের ২৯ রানের ক্যামিওতে দলের পুঁজি ৩০০ ছাড়ায়।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে শন অ্যাবোট ও অ্যাডাম জাম্পা দুটি এবং মার্কাস স্টয়নিস একটি করে উইকেট নেন।