পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভারে আট উইকেটে ৩০৬ রান করেছে বাংলাদেশ। জবাবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৩০.৩ ওভারে দুই উইকেটে ১৮১ রান।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই আউট হন ট্রেভিস হেড। তৃতীয় ওভারে তাসকিন আহমেদের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ১০ রান করেন তিনি। শুরুর ধাক্কা সামলে দলীয় ইনিংস এগিয়ে নিতে থাকেন ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শ।
.png)
দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ম্যাচ অনেকটাই নিজেদের দিকে নিয়ে নেয় অস্ট্রেলিয়া। ১২০ রানের জুটির পথে ওয়ার্নার ও মার্শ দুজনই পান ফিফটির দেখা। তবে ফিফটির পরই ফিরেছেন ওয়ার্নার। তিনি করেন ৫৩ রান।
ওয়ার্নার ফিরলেও আপন গতিতে রান করতে থাকেন মার্শ। সেই ধারাবাহিকতায় নাসুমের বলে সিঙ্গেল নিয়ে সেঞ্চুরি পূরণ করেন তিনি। তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছাতে এ অলরাউন্ডার খেলেন ৮৭ বল।
এর আগে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। বাংলাদেশকে ভালো শুরু এনে দেন লিটন দাস ও তানজিদ হাসান তামিম। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৭৬ রান। দুই ওপেনারই আউট হওয়ার আগে সমান ৩৬ করে রান করেন।
তিনে নামা শান্ত ছিলেন ফিফটির পথে। তবে ৪৫ রানে রান আউটের শিকার হন তিনি। বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচ ব্যাট হাতে রাঙাতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বা মুশফিকুর রহিমের কেউই। এ দুই ব্যাটার ফেরেন যথাক্রমে ৩২ ও ২১ রানে।
সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মাঝে অর্ধশতক পূরণ করেন চারে নামা তাওহীদ হৃদয়। ৬১ বলে মাইলফলকে পৌঁছান এ ব্যাটার। ৭৯ বলে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৪ রান করে আউট হন তিনি। মেহেদী মিরাজের ২৯ রানের ক্যামিওতে দলের পুঁজি ৩০০ ছাড়ায়।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে শন অ্যাবোট ও অ্যাডাম জাম্পা দুটি এবং মার্কাস স্টয়নিস একটি করে উইকেট নেন।