ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]
আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ-২০২৩

ভারতকে ভয় দেখাচ্ছেন ভয়ংকর এক শিকারি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭:৫৭, ১৮ নভেম্বর ২০২৩
ভারতকে ভয় দেখাচ্ছেন ভয়ংকর এক শিকারি
মিচেল স্টার্ক

দেশের প্রতি খুবই ডেডিকেটেড অস্ট্রেলিয়ার তারকা পেসার মিচেল স্টার্ক। বড় আসরের আগে সবসময় নিজেকে তৈরি করার কাজটাই মন দিয়ে করেন। অর্থের মোহ কখনো তাকে কাবু করতে পারেনি। সেজন্য ফ্রাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টগুলোকে খুব একটা গুরুত্ব দেন না তিনি। যার ফলও হাতেনাতে পাচ্ছেন। এরই মধ্যে চলমান বিশ্বকাপে ১৩ উইকেট শিকার করেছেন। যার তিনটি সেমিতেই। মূলত বড় মঞ্চের ভয়ংকর শিকারি স্টার্ক। ক্যারিয়ারের তিন বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে কেবল নকআউটেই নিয়েছেন ১০ উইকেট।

২০১৫ বিশ্বকাপটা বোধহয় ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাখতে চাইবেন স্টার্ক। সেবার শুরু থেকে ফাইনাল পর্যন্ত চলে স্টার্কের হান্টিং। সবমিলিয়ে ২২ উইকেট ঝুলিতে পুরেছিলেন তিনি। যেটা ছিল ওই আসরের সর্বোচ্চ। যার মধ্যে কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমি আর ফাইনাল মিলিয়ে ৬ উইকেট ঝুলিতে পুরেছিলেন। সেই স্টার্ক এবারো আলো ছড়িয়ে যাচ্ছেন। সর্বশেষ কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে একাই নেন তিন উইকেট। সবমিলিয়ে এবারসহ তিন বিশ্বকাপে স্টার্কের উইকেট হলো ৬২।

লাইন আর লেংথ ঠিক রেখে বোলিং করাই স্টার্কের বড় গুন। পাশাপাশি দলের প্রয়োজনে এক ওভারে দুই বা ততোধিকবার সলিড ইয়োর্কারও দিতে পারেন তিনি। কেবল উইকেট শিকারই নয়, প্রতিপক্ষ ব্যাটারকে বল কোনোমতে ঠেকিয়ে দিতেও বাধ্য করেন স্টার্ক। যেটা মনে করিয়ে দেয় পরিসংখ্যানও। একদিনের ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত ৫০ ওভারে কোনো রান দেননি স্টার্ক।

Advertisement

রোববার আহমেদাবাদে বিশ্বকাপ ফাইনাল। যে ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ভারত। তাদের বিপক্ষে স্টার্ক থাকবেন চোখে চোখে। তাকে নিয়ে হয়তো ভিন্ন পরিকল্পনা করবে ভারতের টিম ম্যানেজমেন্ট। আর পেসে দুই দলের লড়াই হবে স্টার্ক আর মোহাম্মদ শামির মধ্যে। সেমিতে একাই নিউজিল্যান্ডকে ধসিয়ে দিয়েছিলেন শামি। বল হাতে নেন সাত উইকেট। তাতে বিরাট কোহলি ও শ্রেয়স আইয়ারের সেঞ্চুরি আড়ালে পড়ে যায়। ফাইনালে এই দুই পেসারের টক্করটাও জমবে জব্বর।

২০১৫ বিশ্বকাপ মাতানো স্টার্ক ২০১৯ এর আসরেও অস্ট্রেলিয়ার ভরসার নাম হয়ে ছিলেন। ওই বিশ্বকাপে ২৭ উইকেট শিকার করে এক বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের রেকর্ড গড়েন এই গতি তারকা। যদিও অস্ট্রেলিয়া আগের আসরের মতো সফলতা পায়নি। ২০২০ পরবর্তী সময় থেকে ২০২১ এর মাঝামাঝি পর্যন্ত বাজে সময় যায় স্টার্কের। বল হাতে নিজেকে হারিয়ে খোঁজেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়াসহ লোকাল মিডিয়ায় তার অফফর্ম নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইয়ে যায়। তবে সমালোচকদের মুখ বন্ধ করতে বেশি দিন লাগেনি তার।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআইএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!