এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কুমিল্লার সংগ্রহ ১৩ ওভারে দুই উইকেটে ৯৮ রান। এখন লিটন ৫৮ ও চার্লস ৬ রানে ব্যাটিং করছেন।
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৭৭ রান সংগ্রহ করে সিলেট। এখন কুমিল্লার জয়ের জন্য প্রয়োজন ৯৯ রান।
.png)
লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই হোঁচট খায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন ইমরুল কায়েস ও লিটন দাস। ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই এ জুটিতে আঘাত হানেন সামিত প্যাটেল।
ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে প্যাটেলের ওপর চড়াও হতে গিয়ে কেনার লুইসের তালুবন্দী হন কায়েস। আউট হওয়ার আগে ৩ রান করেন তিনি।
পরে বাইশ গজে আসেন তাওহীদ হৃদয়। তবে অতি-আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে গিয়ে দ্রুতই সাজঘরে ফেরেন তিনি। জাতীয় দলের সতীর্থ তানজিম সাকিবের বলে আরিফুলকে ক্যাচ দেন হৃদয় (১৭)।
তবে শুরুর চাপ সামলে জনসন চার্লসকে সঙ্গে নিয়ে দলীয় ইনিংস এগিয়ে নিচ্ছেন লিটন। সেইসঙ্গে ব্যক্তিগত অর্ধশতকও তুলে নিয়েছেন এ ব্যাটার।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন সিলেট স্ট্রাইকার্স অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন কেনার লুইস ও জাকির হাসান। এ দুজনের ব্যাটে উড়ন্ত শুরু পায় দলটি।
ম্যাচের ষষ্ঠ ওভারে জাকির হাসানকে সাজঘরে ফেরান সুনীল নারিন। আউট হওয়ার আগে ১৮ করেন তিনি। এরপর ক্রিজে আসেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তার সঙ্গে ২৭ রানে জুটি গড়েন লুইস। মুশফিক হাসানের বলে জনসন চার্লসের তালুবন্দী হন লুইস। এতে ভেঙে যায় তাদের জুটি।
পরে ক্রিজে আসেন ইয়াসির রাব্বি। এরপরেই উইকেট বিলিয়ে দেন শান্ত (১২)। ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন রাব্বিও (২)। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছে সিলেট। এতে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে কুমিল্লা। তবে চাপ সামলে মোহাম্মদ মিথুনের সঙ্গে বড় জুটি গড়েন বেনি হাওয়েল।
ধ্বংস্তূপে দাঁড়িয়ে ৭৭ রানের জুটি গড়েন মিথুন-হাওয়েল। তবে মিথুনের (২৮) বিদায়ে ভেঙে যায় তাদের জুটিটি। সঙ্গীকে হারালেও ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালিয়ে যান হাওয়েল।
ম্যাচের শেষ পর্যন্ত ৩১ বলে ৬২ রানে অপরাজিত ছিলেন হাওয়েল। তার ব্যাটে ভর করেই ১৭৭ রান থামে সিলেটের ইনিংস। কুমিল্লার হয়ে সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট শিকার করেন রিশাদ ও নারিন।