এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কুমিল্লার সংগ্রহ ১৪.৫ ওভারে পাঁচ উইকেটে ৮৬ রান।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বরিশাল দলপতি তামিম ইকবাল।
.png)
কুমিল্লার হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন লিটন দাস ও সুনীল নারিন। শুরুতে রয়েসয়ে খেললেও দ্রুতই ভয়ানক হয়ে ওঠেন নারিন।
ম্যাচের চতুর্থ ওভারের শেষ বলে ম্যাককয়ের স্লোয়ারে সৌম্যের তালুবন্দী হন নারিন। এতে আউট হওয়ার আগে ১৬ করেন এ ক্যারিবীয় ব্যাটার।
পরে ক্রিজে আসেন তাওহীদ হৃদয়। তাকে সঙ্গ দেওয়ার আগেই উইকেট বিলিয়ে দেন লিটন। সপ্তম ওভারের দ্বিতীয় বলেই তাইজুলের ঘূর্ণিতে বোল্ড হন তিনি।
ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন মাহিদুল ইসলামও। ছয় বল খেলে মাত্র ১ রানেই সাজঘরে ফেরেন। দলীয় ফিফটি পূরণের আগেই তিন টপ অর্ডারকে হারিয়ে কিছুটা পিছিয়ে পড়ে কুমিল্লা।
তবে সেই চাপ সামলে মঈন আলীর সঙ্গে জুটি গড়েন হৃদয়। তাদের দুজনের ব্যাট থেকে আসে ৩৬ রান। তবে হৃদয়ের (২৫) বিদায়ে ভেঙে যায় তাদের জুটি। এরপর ফেরেন মঈনও (১৪)। তাকে সাজঘরে ফেরান আকিফ জাভেদ।
এখন জাকের আলীকে সঙ্গে নিয়ে দলীয় ইনিংস এগিয়ে নিচ্ছেন রাসেল।