বিসিবির ঘোষিত ১৫ সদস্যের দলে যে সাকিব আল হাসান থাকবেন, তা ছিল অনুমিতই। অবশেষে হয়েছেও তাই। তারুণ্য নির্ভর বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দলে আছেন অভিজ্ঞ সাকিবও।
এবারের বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে ২০টি দল। প্রতি দলের স্কোয়াডে আছেন ১৫ জন করে ক্রিকেটার। অর্থাৎ ৩০০ জন খেলোয়াড় খেলবে আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপে। ট্রাভেলিং রিজার্ভসহ ধরলে খেলোয়াড়ের সংখ্যাটা আরো বেশি।
.png)
সব কিছু ঠিক থাকলে মাত্র দুজন ক্রিকেটার এই বিশ্বকাপে অংশ নিয়েই করতে যাচ্ছেন অনন্য এক রেকর্ড। তারা দুজন হলেন- সাকিব আল হাসান এবং ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মা।
টি-২০ বিশ্বকাপের প্রথম আসরে খেলেছিলেন সাকিব ও রোহিত, এবারও খেলবেন। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম ফরম্যাটে এই দুজনের নবম বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে এটি। এই রেকর্ডই তাদের করেছে অন্য সবার চেয়ে অনন্য।
টি-২০ বিশ্বকাপের সফল পারফরমারদের একজন সাকিব। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি উইকেটশিকারি এই বাঁহাতি অলরাউন্ডার। এবার নিজের রেকর্ডকে আরো সমৃদ্ধ করার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি। টি-২০ বিশ্বকাপে ৩৬ ম্যাচ খেলে ৪৭ উইকেট তার। ইকোনমি রেট ৬.৭৮। সাকিব বিশ্বকাপে চার উইকেট নিয়েছেন তিনবার। সেরা বোলিং ফিগার ৪/৯।
বর্তমানে টি-২০র অলরাউন্ড র্যাংকিংয়ে শীর্ষে আছেন সাকিব। বিশ্বকাপে রান সংগ্রাহকের তালিকায়ও ওপরের দিকের একজন। ৩৬ ম্যাচে ৭৪২ রান। গড় ২৩.৯৩ এবং স্ট্রাইক রেট ১২২.৪৪। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে তিনটি ফিফটি আছে সাকিবের।
অপরদিকে ২০০৭ বিশ্বকাপেই টি-২০ ফরম্যাটে অভিষেক হয় রোহিত শর্মার। সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচ (১৫১) খেলা ক্রিকেটারও ভারতের এই হার্ড হিটার ব্যাটসম্যান। আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক রোহিত। ৩১.৭৯ গড়ে করেছেন ৩৯৭৪ রান। তার উপরে আছেন শুধু বিরাট কোহলি।
টি-২০ বিশ্বকাপের আট আসরে খেলে রোহিত করেছেন ৯৬৩ রান। গড় ৩৪.৩৯, স্ট্রাইক রেট ১২৭.৮৮। ফিফটি আছে ৯টি। টি-২০তে ৩৫ বলে সেঞ্চুরি আছে রোহিতের। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেঞ্চুরিটি করেছিলেন।