২০০৮ সালে আইপিএলের প্রথম বছরের আগে প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি একজন করে আইকন প্লেয়ার বেছে নিয়েছিল। চেন্নাই বেছেছিল ধোনিকে। তারপর থেকে সেই দলেই রয়েছেন তিনি।
মাঝে দু’বছরের জন্য চেন্নাই নির্বাসিত হওয়ায় রাইজিং পুণে সুপারজায়ান্টসে গিয়েছিলেন ধোনি। নইলে অন্য কোনো দলের হয়ে খেলেননি এ ক্রিকেটার। শেবাগ জানিয়েছেন, অধিনায়ক হিসাবে চেন্নাইয়ের প্রথম পছন্দ ছিলেন তিনি। ধোনি নন।
.png)
একটি সাক্ষাৎকারে শেবাগ জানিয়েছেন, নিলামের আগে চেন্নাইয়ের হয়ে ক্রিকেটারদের সই করানোর দায়িত্বে ছিলেন ভিবি চন্দ্রশেখর। তিনি ফোন করেছিলেন শেবাগকে। ভারতের সাবেক ক্রিকেটার বলেন, চন্দ্রশেখর চেন্নাইয়ের হয়ে ক্রিকেটারদের সই করানোর দায়িত্বে ছিলেন।
তিনি আমাকে ফোন করেছিলেন। বলেছিলেন, ‘আমরা চাই, তুমি চেন্নাইয়ের হয়ে খেলো। জানি, দিল্লি তোমাকে আইকন প্লেয়ার হিসাবে সই করাতে চাইছে। ওদের প্রস্তাবে হ্যাঁ বলো না।’ আমি বলেছিলাম, ঠিক আছে দেখছি।”
চেন্নাইয়ের প্রস্তাব থাকলেও শেষ পর্যন্ত দিল্লিতেই সই করেছিলেন শেবাগ। দিল্লির ছেলে হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। তারপরেই ধোনির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল চেন্নাই।
শেবাগ বলেন, আমি শেষ পর্যন্ত দিল্লির প্রস্তাব মেনে নিয়েছিলাম। নিলামে অংশ নিইনি। যদি নিলামে যেতাম তাহলে হয়তো চেন্নাই আমাকে কিনে দলের অধিনায়ক করতো। আমাকে না পাওয়ায় ধোনিকে কিনে তাকে অধিনায়ক করে ওরা।
আইপিএলের ১৬ বছরে চেন্নাইয়ের সবচেয়ে প্রিয় ক্রিকেটার হয়ে উঠেছেন ধোনি। শুধু চেন্নাই নয়, ভারতের যে মাঠেই তিনি খেলতে যাচ্ছেন, এসে ভিড় করছেন তার সমর্থকেরা। এই প্রথম চেন্নাই ও ধোনিকে নিয়ে মুখ খুললেন শেবাগ। যদিও এই বিষয়ে চেন্নাই ফ্র্যাঞ্চাইজি বা ধোনির তরফে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।