যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটে এটা ইতিহাস। বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ। সেটিই জিতে নিলো দেশটি। টানা দুই হারে সিরিজের সঙ্গে সঙ্গে মানও খোয়ালো শান্তর দল।
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) টেক্সাসের হিউস্টনে প্রেইরি ভিউ ক্রিকেট কমপ্লেক্সে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৪ রান করে যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে খেলতে নেমে ১৯ ওভার ৩ বলে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৩৮ রানের বেশি করতে পারেনি বাংলাদেশ।
.png)
ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে, গোল্ডেন ডাক মারেন টাইগার কোচের প্রিয় শিষ্য সৌম্য সরকার (০)। লিটনের পরিবর্তে সুযোগ পাওয়া তানজিদ হাসান তামিমকে নিয়ে ছোট্ট জুটি (২২ বলে ২৯ রানের) গড়েন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
কিন্তু ব্যক্তিগত ১৯ রানে বোল্ড হন তামিম। তাওহীদ হৃদয়ের সঙ্গে ৪৮ রানের জুটিতে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেন শান্ত। কিন্তু দুজনের ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হন টাইগার দলপতি (৩৬)। এরপর হৃদয় (২৫), মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (৩) আর জকের আলী অনিক (৪), তানজিম হাসান সাকিব (০) দ্রুত বিদায় নিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ দল। সাকিবের ৩০ রান পরাজয়ের ব্যবধান কমিয়েছে মাত্র।
শেষ ২৪ বলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ২৬ রান, হাতে ছিল ৫ উইকেট। সাকিব আল হাসান, জাকের আলির মতো ব্যাটাররা তখনও উইকেটে ছিলেন। সেখান থেকে ১৩ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ফলে শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন হয় ১২ রান, হাতে মাত্র এক উইকেট। আলি খানের করা ওভারের প্রথম ২ বলে ৫ রান নিলেও তৃতীয় বলে উইকেটের পেছনে ধরা পড়েন রিশাদ হোসেন। তাতে ৬ রানের জয় পায় যুক্তরাষ্ট্র।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই ওপেনার স্টিভেন টেইলর ও মোনাঙ্ক প্যাটেল। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ওপেনিং জুটিতে ৪৪ রান তোলেন এই দুই ব্যাটার।
নিজের প্রথম ও ইনিংসের সপ্তম ওভারে টেইলর (৩১) এবং আন্দ্রিস গাউসকে (০) আউট করে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন রিশাদ হোসেন। তবে তা রুখে দেন জোন্স। অধিনায়ক প্যাটেলকে নিয়ে ৫৬ বলে ৬০ রানের জুটি গড়েন তিনি।
জোন্স ৩৫ ও প্যাটেল ৪২ রানে আউট হন। মোস্তাফিজ, শরীফুল ও রিশাদ নেন ২টি করে উইকেট। বল হাতে নিষ্প্রভ ছিলেন অভিজ্ঞ সাকিব। ৪ ওভারে ৩৫ রানে উইকেট শূন্য থাকেন তিনি।