সেরা ফিনিশার তকমা পাওয়া কার্তিক বলেন, ‘আমার মনে হয় আরো তিন বছর খেলার জন্য আমার শরীর তৈরি আছে। ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারের নিয়ম থাকায় এখন তো আরো মনে হয় যে খেলতে পারতাম। এই নিয়মের জন্য খেলা এখন অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। সেই কারণে মনে হয় আরো কয়েক বছর খেলতেই পারতাম।’
বয়সটা ৩৮ পেরিয়েছে, এই সময়ে এসেও নিজের ফিটনেস নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী কার্তিক, ‘তিন দশকের ক্যারিয়ারে কখনও চোটের কারণে ম্যাচ থেকে বাদ পড়িনি। সেই দিক থেকে আমি খুবই ভাগ্যবান। কখনও শরীর এবং ফিটনেস নিয়ে ভাবতে হয়নি।’
.png)
শরীর ফিট থাকলেও মানসিক শান্তির জন্যই অবসর নিয়েছেন কার্তিক, ‘অবসরের সিদ্ধান্ত নেয়ার বড় কারণ মানসিক ক্লান্তি। আমি এখনও খেলে যাব নাকি অল্প খেলব তা ভাবছিলাম। কিন্তু আমি সব সময় নিজের ১০০ শতাংশ দিই। যে কাজটাই করি না কেন, তাতে নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করি। সেদিক থেকে মনে হয় যে আমার পক্ষে খেলাটা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।’