শ্রীলংকার ডাম্বুলায় নির্ধারিত ২০ ওভারে দুই উইকেটে ১৯১ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেট হারিয়ে ৭৭ রানে থেমেছে মালয়েশিয়ান মেয়েরা। টাইগ্রেসদের জয় ১১৪ রানে।
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে বড় জয়ে ‘বি’ গ্রুপে পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। বর্তমানে তাদের পয়েন্ট ৪। আর রান রেট ১.৯৭১। অন্যদিকে এক ম্যাচ বাকি থাকা থাইল্যান্ডেরও সেমিতে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সেজন্য তাদের শ্রীলংকার বিপক্ষে রীতিমতো রেকর্ড গড়তে হবে। বলা যায়, শ্রীলংকা-থাইল্যান্ড ম্যাচে কোনো অঘটন না ঘটলে সেমিতে বাংলাদেশই খেলবে।
.png)
সেমিফাইনালের টিকিট পেলে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হবে ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল ভারত। আসরের প্রথম সেমিফাইনাল ম্যাচটি হবে ২৬ জুলাই, ডাম্বুলায়।
এদিন রান তাড়া করতে নেমে খাতা খোলার আগেই দলে ফেরা জাহানারার বলে সাজঘরে ফেরেন আইনা হাশেম। এরপর পাওয়ার প্লে-তে নিজেদের গুছিয়ে নিচ্ছিল মালয়েশিয়া। তবে ষষ্ঠ ওভারে আঘাত হানেন নাহিদা আক্তার।
নাহিদার বলে এজ হয়ে তার হাতেই ধরা পড়েন হান্টার। এ ব্যাটার ২০ রান করেন। জুলিয়া ও ডুরাসিংহাম ১৭ রানের জুটি গড়লেও স্কোরিং রেট ছিল খুবই কম। অল্প সময়ের ব্যবধানে দুজনেই ফিরেছেন।
এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে মালয়েশিয়ার ব্যাটাররা। এতে ধীরে ধীরে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় তারা। শেষ পর্যন্ত ৭৭ রানে গুটিয়ে গেছে দলটি।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট শিকার করেছেন নাহিদা আক্তার। এছাড়া একটি করে উইকেট নিয়েছেন জাহানারা, জেসমিন, রাবেয়া, রিতু ও স্বর্ণা আক্তার।
এর আগে বাঁচা-মরার ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। দলের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন দিলারা আক্তার ও মুর্শিদা খাতুন। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে থাকেন তারা।
উদ্বোধনী জুটিতে ৬৫ রান যোগ করেন দিলারা ও মুর্শিদা। ২০ বলে ৩৩ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস খেলে মাহিরার বলে আউট হন দিলারা। তার জায়গায় নেমে রানের চাকা সচল রাখেন জ্যোতি। অন্যপ্রান্তে স্বাচ্ছন্দ্য ছিলেন মুর্শিদাও।
সাজঘরে ফেরার আগে ৫৯ বলে ৮০ রান করেন মুর্শিদা। তার বিদায়ের পর দলের ইনিংসের বাকিটা টেনে নেন জ্যোতি। তিনি ৩৭ বলে ৬২ রানে অপরাজিত থাকেন। মালয়েশিয়ার হয়ে মাহিরা ও হান্টার একটি করে উইকেট নেন।