খেলার শেষে তিনি জানিয়েছেন, ঋতুস্রাবের কারণে প্রত্যাশা অনুযায়ী ওজন তুলতে পারেননি।
মীরাবাইয়ের ভাষায়, ‘চোট থেকে আমি পুরোপুরি সেরে উঠেছি। কিন্তু ঋতুস্রাবের তৃতীয় দিনে ইভেন্টে নামতে হয়েছিল। তার প্রভাব একটু হলেও পড়েছে। কিন্তু সেটা নিয়ে অজুহাত দিতে চাই না। অনুশীলনের সময় এই সমস্যার মোকাবেলা করার চেষ্টা করি। যেকোনো নারীর জন্যই এটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে সময়ের অভাবে অলিম্পিকের প্রস্তুতিটা ভালো হয়নি। এই পারফরম্যান্সকে ওপরের দিকেই রাখব।’
.png)
প্রশ্ন ওঠে, ঋতুস্রাব চলাকালীন কীভাবে অনুশীলন করেন? মীরাবাইয়ের জবাব, ‘যতটা সম্ভব বিষয়টাকে পাত্তা না দেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু ক্যাম্পে অনুশীলন করা আর অলিম্পিকে ভরা গ্যালারির সামনে পারফর্ম করার মধ্যে পার্থক্য আছে। (শরীরের) বাকি বিষয়গুলোর এটাকেও স্বাভাবিক বলেই মেনে নেই। চেষ্টা করি পারফরম্যান্সে যাতে প্রভাব না পড়ে।’
অনেকেই মনে করেন, ক্লিন ও জার্কে প্রথম চেষ্টায় মীরাবাই যদি বেশি ওজন না তুলে সেই শক্তি পরের দিকের জন্য বাঁচিয়ে রাখতেন, তাহলে হয়তো সাফল্য পেতেন। এ বিষয়ে মীরাবাই বলেন, ‘হয়তো ঠিক। কম ওজন দিয়ে হয়তো শুরু করা উচিত ছিল। কিন্তু স্যার (কোচ বিজয় শর্মা) অনেক হিসাব-নিকাশ করে তারপরই কোন ওজন তুলতে হবে সেটা বলেছিলেন। আমি উনার কথা শুনেছি।’