লিটন-মিরাজকে নিয়ে উচ্ছ্বাসিত বিশপ ও ভোগলে
ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ের পর লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজের বিশ্বরেকর্ড জুটিতে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। মাত্র ২৬ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া টাইগারদের টেনে তোলায় তাদের নিয়ে চলছে বন্দনা। সপ্তম উইকেটে বিশ্বরেকর্ড জুটিতে ১৬৫ রানের জুটি গড়া দুই ব্যাটারকে নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ইয়ান বিশপ ও হার্শা ভোগলে।
ধারাভাষ্য কক্ষ তো বটেই, বিভিন্ন সাক্ষাৎকারেও বিশপকে অতীতে বাংলাদেশের পারফরম্যান্সের ইতিবাচক দিক তুলে ধরতে দেখা যায়। রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে বাংলার ক্রিকেটাররা কেমন করছে, সেটি মোটেও তার নজর এড়ায়নি।
সাবেক উইন্ডিজ ক্রিকেটারের মন্তব্য, ‘যে লড়াই এবং স্পিরিট বাংলাদেশ দলের কাছ থেকে দেখছি ব্যাপারটা দারুণ লাগছে। এমন একটা সময়ে এরকম পারফরম্যান্স, যখন তাদের দেশের জন্য নায়কদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। আর এই ক্রিকেটাররা দেশকে প্রেরণা যুগিয়ে যাচ্ছে।’
.png)
এদিকে, লিটন-মিরাজকে বাংলাদেশের সেরা দুই ক্রিকেটার হিসেবেই বিবেচিত করেছেন আরেক খ্যাতিমান ধারাভাষ্যকার ও ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ হার্শা ভোগলে। তার ভাষ্য, ‘এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সেরা দুই ক্রিকেটার দলকে সিরিজ জেতার দারুণ সুযোগ এনে দিয়েছেন। প্রায়ই বলেছি, লিটন সাদা বলে বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যান। আশা করি এই টেস্ট সেঞ্চুরি তার প্রত্যাশা আরো বাড়িয়ে দেবে।’
১৪৭ বছরের টেস্ট ইতিহাসে ৫০ রানের কমে ষষ্ঠ উইকেট পতনের পর সপ্তম উইকেটে সবচেয়ে বড় জুটিটা গড়েছেন লিটন ও মিরাজ। এর আগে ৫০ রানের কমে ৬ উইকেট খোয়ানোর সপ্তম উইকেটে সর্বোচ্চ জুটিটা ছিল ১১৫ রানের। সেই রেকর্ডটিও হয়েছিল পাকিস্তানে। ২০০৬ সালে করাচিতে ভারতের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৩৯ রানে প্রথম ৬ উইকেট হারায় পাকিস্তান।
এরপর সপ্তম উইকেটে ১১৫ রানের জুটি গড়েন আবদুল রাজ্জাক ও কামরান আকমল। রাজ্জাক ৪৫ রান করে বিদায় নিলে ভাঙে সেই জুটি। উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান কামরান ফিরেছিলেন শোয়েব আখতারকে নিয়ে অষ্টম উইকেটে ৮২ রানের জুটি গড়ার পর ১১৩ রান করে। সেই ইনিংসে ২৪৫ রানে অলআউট হয়েছিল পাকিস্তান।