ব্যালকনি ‘সি’ স্ট্যান্ডের দর্শক ধারণক্ষমতা ৪,৮০০ জন। তবে নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ১,৭০০ টিকিটের বেশি বিক্রি হবে না। পিডব্লিউডি'র কর্মকর্তারা সতর্ক বার্তায় জানিয়েছেন, যদি মাত্র ৫০ জনের একটি দল একযোগে লাফ দিয়ে মাঠে প্রবেশ করে, তাহল বিপর্যয়কর পরিস্থিতি সৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
গ্রিন পার্ক স্টেডিয়ামের ভিআইপি স্ট্যান্ডের কাছে আটটি ফ্লাডলাইট বাল্ব ত্রুটিপূর্ণ বলে জানা গেছে। এটি ভেন্যুটির একটি পুরনো সমস্যা। এছাড়া বায়ু দূষণের কারণে খেলা চলাকালীন খেলোয়াড় এবং দর্শকদের কোনোকিছু দেখতে পাওয়া নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
.png)
স্টেডিয়ামের মালিকানা উত্তর প্রদেশ সরকারের ক্রীড়া বিভাগের। ভারতীয় গণমাধ্যমকে ক্রীড়া বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ‘কানপুরে দেখতে না পারার সমস্যা সবসময় ছিল। বেশিরভাগ বায়ূ দূষণের কারণে এমনটা হয়েছিল। শেষবার ভারত আলোকস্বল্পতার কারণে এই ভেন্যুতে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট জিততে ব্যর্থ হয়েছিল। হাস্যকরভাবে (দিনের আলোয়) তখন সব ফ্লাডলাইট জ্বলছিল। আশা করি, আমাদের আর সেই বিব্রতকর অবস্থার মধ্য দিয়ে যেতে হবে না।’
এদিকে, হিন্দু মহাসভার ম্যাচ পণ্ডের হুমকি ও ধর্মঘটের ডাকের প্রেক্ষিতে উত্তর প্রদেশ (ইউপি) সরকার দুই দলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে। সংগঠনটির ২০ জন সদস্যের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। ইউপি পুলিশ নিরাপত্তা হুমকির সন্ধানে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (আইবি) ও কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। ডিসিপি, অতিরিক্ত ডিসিপি এবং এসিপি পদমর্যাদার কর্মকর্তারা নিরাপত্তায় নিয়োজিত আছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘আমরা নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ঝুঁকি নিচ্ছি না। এমনকি দলগুলোকে কঠোরভাবে নির্দেশিকাগুলো মেনে চলতে বলা হয়েছে। দলের সদস্যদের হোটেল থেকে বের হওয়ার আগে একটি আগাম নোটিশ দিতে বলা হয়েছে।’