দারুণ আনন্দের মুহূর্তেও পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়া বন্ধুকে স্মরণ করতে ভোলেননি এই ফরোয়ার্ড। পুরস্কারটা তাকেই উৎসর্গ করলেন। পুরস্কার বিতরণীপর্বে বললেন, ‘আমার এক বন্ধু মারা গেছে, তার নামে পুরস্কারটা আমি উৎসর্গ করছি।’
নিজের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট বাঘিনীদের নাম্বার টেন সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতার পাশাপাশি কোচ ও সতীর্থদের অবদানের কথাও বললেন। তার ভাষ্য,‘আল্লাহ্কে ধন্যবাদ। আমার অনেক ভালো লাগছে। বিশেষ করে আমাদের সতীর্থদের ধন্যবাদ, যারা আমাকে অনেক সহায়তা করেছে। দুইটা গোল করতে পেরেছি আমার দলের জন্য, আমি ভীষণ আনন্দিত।’
.png)
‘আমাদের কোচ পিটার বাটলার, উনি আমাকে অনেক সমর্থন দিয়েছেন। আমাদের সাবেক কোচ ছিল ছোটন স্যার, উনাকে অনেক মিস করেছি। সবমিলিয়ে আলহামদুলিল্লাহ আমি অনেক আনন্দিত।
নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের সঙ্গে পারফরম্যান্স ছিল বেশ হতাশাজনক। অপেক্ষাকৃত দুর্বল প্রতিপক্ষের সঙ্গে ১-১ গোলের ড্র দলের সামর্থ্য নিয়ে তুলেছিল প্রশ্ন। ভারতের মেয়েদের সামনে অবশ্য জবাবটা দিয়েছে লাল-সবুজের দল।’
এ প্রসঙ্গে তহুরা বলেন, ‘আসলে আমাদের যে প্রথম ম্যাচটা ছিল পাকিস্তানের সঙ্গে আমরা অনেক চেষ্টা করেছি, কিন্তু পারিনি যা দুঃখজনক। আল্লাহ্ যা করেন ভালোর জন্য করেন। আজকের ম্যাচটায় প্রথম থেকে আমাদের চেষ্টা ছিল সর্বোচ্চটা দেওয়ার। প্রতিটা খেলোয়াড়ের শতকরা ১২০ ভাগ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আমরা ম্যাচটা জিতেছি, তার মধ্যে আমি দুইটা গোল করতে পেরেছি, তাই আল্লাহ্কে ধন্যবাদ।’
বর্তমান কোচ বাটলার ও সাবেক কোচ গোলাম রব্বানি ছোটনসহ অনেকের প্রতি আবারো নিজের মনোভাব জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘বাটলারকে ধন্যবাদ। উনি আমাকে অনেক সাহায্য করেছেন। সাবেক কোচ ছোটন স্যার আমাদের অনেক কিছু শিখিয়েছে। আমার শুরু থেকে যে স্যারগুলা ছিল, উনাদেরকেও অনেক ধন্যবাদ। উনাদের জন্যই আমি আজকের অবস্থায় আসতে পেরেছি।’