আমরা যদি এই থিওরিকে সত্য বলে মেনে নেই, তাহলে আমাদেরকে বিশ্বাস করতে হবে যে, কেন্দ্র হতে দূরত্ব ও সময়ের সাপেক্ষে আমরা ক্রমেই দূরে সরে যাচ্ছি, তবে প্রতিবারই আমরা ফিরে আসছি এবং পুরনো সত্যগুলোর মুখোমুখি হচ্ছি।
এই পুনরাবৃত্তিমূলক ও পুনঃসৃষ্টিমূলক কাজের যন্ত্রণার সাপেক্ষে কীভাবে আমাদের স্মৃতি গঠিত হয়ে থাকে, সে সম্পর্কে আমার ভাবনা হলো নিম্নরূপঃ
.png)
প্রথমতঃ প্রতিবার অতীত স্মৃতি মনে করার সময়ে আমরা নতুন নিউরন সৃষ্টি করি। এ কারণেই আমাদের স্মরণশক্তি যথেষ্টই অনির্ভরযোগ্য।
দ্বিতীয়তঃ ‘পোয়েট’ শব্দের আদি গ্রীক শব্দ হলো সৃষ্টিকর্তা। সেক্ষেত্রে কবিরা হলেন মূলত সৃষ্টিকর্তা।
সুতরাং মোটের ওপর প্রতিজন মানুষই একেকজন কবি, যতক্ষণ পর্যন্ত সে তার স্মৃতিগুলোকে মনে রাখতে সক্ষম হয়।”