রোববার দুপুর সোয়া ১২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত হাসপাতালটিতে ভুয়া চিকিৎসকের তৎপরতা এবং নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় র্যাব-৩-এর একটি দল।
ভ্রাম্যমাণ আদালতে নেতৃত্ব দেন র্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট পলাশ কুমার বসু। তিনি বলেন, অভিযানে মিজানুর রহমান নামে একজন ভুয়া চিকিৎসককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়াও হাসপাতালের অ্যাসিসটেন্ট সুপারভাইজার মো. হাসিনুর রহমানকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
.png)
পাশাপাশি ইসালামী ব্যাংক হাসপাতালের ফার্মেসিতে অপারেশন থিয়েটারে ব্যাবহৃত ইনজেকশন (টিএআর) সার্জিক্যাল আইটেম এবং ওষুধ রাখার দায়ে মো, শফিউল ইসলাম ও আব্দুল জলিল নামে দুজনের প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
র্যাব জানায়, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের ভুয়া চিকিৎসক মিজানুর রহমান ১২ বছর ধরে চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। তিনি ইউনানির সাময়িক অনুমোদন নিয়েই দিচ্ছিলেন এলোপ্যাথিক চিকিৎসা। কিন্তু ইউনানি নীতিমালা অনুযায়ী এটা করা যায় না।
এছাড়াও তিনি প্রেসক্রিপশনে নিজেকে চিকিৎসক হিসেবে উল্লেখ করে আসছিলেন। শুধু তাই নয় হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, এমফিল ডিগ্রির বিষয়ও তুলে ধরছিলেন।