ওই অগ্নিকাণ্ডের পর নতুন ইটবালিতে চুড়িহাট্টার চারতলার হাজি ওয়াহেদ ম্যানশনের ক্ষতগুলো সংস্কার হয়েছে। কিন্তু ওই ভবনের অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের স্বজন এবং বেঁচে মানুষেরা বিভীষিকাময় জীবন কাটাচ্ছেন। তাদের মনের ক্ষতগুলো আজও শুকায়নি।
হাজিওয়াহিন ম্যানশনে আগুন লাগার পর তা বিভিন্ন ফ্লোরে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ফ্লোরে থাকা লাইটারের গ্যাস, সুগন্ধিসহ বিভিন্ন কেমিক্যালের টিউব ছিটকে আশপাশের ভবনে চলে যায়। এতে দ্রুত চারপাশে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আগুন লাগার ১৪ ঘণ্টা তৎপরতা চালায় ফায়ার সার্ভিস, পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সেদিন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ৬৭। পরে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ৭১ জনে।
.png)
এদিকে ৭১ জনের প্রাণহানির পর দায়ী কেমিক্যাল গোডাউনের (গুদাম) মালিকদের দুই বছরেও শনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে পুলিশ। মামলার তদন্তও আজও শেষ হয়নি।
পুলিশের ভাষ্য, চুড়িহাট্টার হাজি ওয়াহেদ ম্যানশন ভাড়া নেয়ার সময় ব্যবসায়ীরা আসল নাম-ঠিকানা ব্যবহার করেনি। সঠিক পরিচয় না পাওয়ায় তদন্ত শেষ হচ্ছে না। এজন্য অভিযোগপত্রও জমা দেয়া সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে বিচার নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। তাদের মধ্যে বিরাজ করছে চরম হতাশাও।