রাজধানীর কদমতলী এলাকার একটি বাড়ি থেকে একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহতরা হলেন- ৫০ বছর বয়সী মাসুদ রানা। এই সৌদি প্রবাসী ছুটিতে দেশে এসেছিলেন। অপর দুজন মাসুদের স্ত্রী জোসনা আরা এবং তাদের ছোট মেয়ে ১৪ বছর বয়সী মহিনী।
.png)
মূলত পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড বলছে প্রতিবেশীরা। স্বজনদের পক্ষ থেকেও মেহজাবিনের বিরুদ্ধে করা হচ্ছে নানা অভিযোগ। তারাও বলছেন, তাদের পারিবারিক কলহ লেগেই থাকতো।
মিটফোর্ড হাসপাতালে অভিযুক্তের স্বামী শফিকুল ইসলাম ও তাদের ৪ বছরের ছোট মেয়ে তৃপ্তিকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে। শফিকুল জানান, অভিযুক্ত নারী উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপন করছিলেন। পরিবারের সঙ্গে নানা কলহে জড়াতেন। এমনকি স্বামী অরণ্যের সঙ্গেও দ্বন্দ্বে লিপ্ত হতেন।
ওয়ারী ডিভিশনের ডিসি শাহ ইফতেখার আহামেদ বলেন, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে মেহজাবীন মুন। মা-বাবাসহ ছোট বোনকে হত্যা করে ৯৯৯ এ ফোন দেন তিনি। মুন থাকেন আলাদা বাসায়। এখানে মায়ের বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন তিনি।
পুলিশের ধারণা, শুক্রবার রাতে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে তিনজনকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।