শুক্রবার চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থেকে মহিউদ্দিনকে গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় সিআইডি।
রাজধানীর মালিবাগ সদর দফতরে শনিবার সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর বলেন, মহিউদ্দিন ওই কিশোরী গৃহবধূকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১৭ নভেম্বর সন্ধ্যার পর বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যাযব। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী পার্শ্ববর্তী ধানক্ষেতে নিয়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে পালিয়ে যাব তিনি।
.png)
১৯ নভেম্বর নিহত কিশোরীর বাবা ছাতক থানায় একটি জিডি করেন। ২১ নভেম্বর সকালে ধানক্ষেতে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ওই কিশোরীর লাশ উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রেমিক মহিউদ্দিন এ হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন। রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে সিআইডি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গ্রেফতারকৃত মহিউদ্দিন সিলেটের ছাতকে খারগাঁও হাফিজিয়া মাদরাসা থেকে ২০১৮ সালে হেফজ পাস করেন।