মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতাল থেকে ইলমার লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় তার স্বামী ইফতেখারকে আটক করা হয়েছে।
ইলমা ধামরাই উপজেলার সাইফুল ইসলামের মেয়ে। পড়শোনা করতেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ইলমার মৃত্যু নিয়ে পরিবার ও সহপাঠিদের দাবি, স্বামীর নির্যাতনেই ঢাবির এ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
.png)
ইলমার খালু ইকবাল হোসেন জানান, পাঁচদিন আগে ইলমার স্বামী কানাডা থেকে ঢাকার বাসায় আসেন। মঙ্গলবার ইলমা আত্মহত্যা করেছেন বলে জানান তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন।
অভিযোগ করে ইকবাল বলেন, আমার ভাগ্নিকে তার স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকজন মেরে ফেলেছে। আমরা এর বিচার চাই। ইলমার শরীরে আমরা অনেক আঘাতের চিহ্ন পেয়েছি। গলায়ও আঘাতের চিহ্ন দেখেছি। ইলমা আত্মহত্যা করতে পারে না। তাকে হত্যা করা হয়েছে।
বনানী থানার ওসি নুরে আজম মিয়া জানান, মরদেহের গলায় দাগসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।
ইলমার সহপাঠী মজিদা নাসরিন মম বলেন, বিয়ের আগ পর্যন্ত বেগম সুফিয়া কামাল হলে থাকতেন ইলমা। বিয়ের পর থেকে বনানী শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে তার সঙ্গে শেষ দেখা হয়। একটি পরীক্ষা দিতে আসছিলেন। এরপরে আর কোনো যোগাযোগ হয়নি। আমরা শুনেছি তার স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকজন কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতে দিতেন না। তাকে সন্দেহ করতেন।
তিনি বলেন, এমনকি ফোন দিলেও রিসিভ করতেন শাশুড়ি। আমরা তার শরীরের আঘাতগুলো দেখেছি। তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন বলেছে আত্মহত্যা করেছে। ইলমা কোনোভাবেই আত্মহত্যা করেনি। তাকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।