কেউ ফোনে কেউবা সরাসারি বাসায় এসে এ বিয়ে প্রস্তাব দিচ্ছেন। বারবার এমন প্রস্তাবে বিব্রত-বিরক্ত-ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েছেন তিনি। এভাবে বিব্রত ও বিরক্ত না করতে সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন নাহিদের স্ত্রী।
এদিকে আগামীকাল রোজা শেষে পরদিন ঈদুল ফিতর। বিয়ের পর এটিই ছিলো নাহিদ-ডালিয়া দম্পতির ঈদ।
স্বামীর সঙ্গে ঈদ করবেন বলে অজস্র স্বপ্ন সাজিয়েছিলেন। কিন্তু নাহিদের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে যেন মুছে গেছে ডালিয়ার সেসব স্বপ্নও।
.png)
সদ্য বিধবা ডালিয়ার পাশে যেন সমাজের বিত্তবানরা দাঁড়াতে পারেন, সেজন্য গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়। সেসব খবরে যুক্ত করে দেয়া ছিলো ডালিয়ার বিকাশ নম্বর। তবে এই বিকাশ নাম্বারই বিপাকে ফেলেছে নাহিদের স্ত্রীকে। কারণ বিকাশ নাম্বারে যারা কল দিচ্ছেন তারাই তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিচ্ছেন। এমনকি ইমো নম্বরে ভিডিও কল দিয়েও সহযোগিতার নামে দীর্ঘক্ষণ কথা বলতে চাইছে তার সঙ্গে।
ডালিয়া আক্তার বলেন, লোকজন সহযোগিতার নামে ফোনে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। ফোন দিয়ে বলে, বিয়ে-শাদি করবেন কি না, সেই চিন্তা-ভাবনা আছে কি না।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আজ যদি আপনার (প্রস্তাবদাতা) কোনো বোন হতো, তাহলে কি এমন কথা বলতে পারতেন? আজ আমার স্বামী মারা গেছে ১২ দিন। ১২ দিন হওয়ার আগেই আপনারা এসব কথা (বিয়ের প্রস্তাব) বলেন। আপনাদের ঘরে মা-বোন থাকলে তাদেরও কি ১২ দিনেই এসব কথা বলতেন? অন্তত ছয় মাস, এক বছর, দুই বছর, ছয় বছর তো যাইতো। আপনারা কেন আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন?’