বৃহস্পতিবার (৫ মে) সরেজমিনে এই হাসপাতাল ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে জানা গেছে, ঈদের আগের দিন, ঈদের দিন এবং পরের দিন রাজধানীর আশপাশের বিভিন্ন সড়ক ছিলো একেবারেই ফাঁকা। এসব সড়কে এক প্রকার বেপরোয়া ছিলো বিশেষ করে বাইক চালক, সিএনজি ও অটোরিকশা চালকরা। এই তিনদিনে আহত হয়েছেন ৭৩২ জন। তাদের মধ্যে কারো হাত ভেঙেছে, কারো পা ভেঙেছে, কারোইবা শরীরে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন।
.png)
যেখানে সাধারণ দিনে ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ১৫০ জন রোগী ভর্তি হয়। অথচ ঈদের দিন ভর্তি হয়েছেন ৩০০ রোগী। ঈদের আগের দিন ১৯৭ ও ঈদের পরের দিন ২৩৫ জন রোগী নিটোরে এসেছে হাত-পা ভেঙে।
নিটোরের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত সিনিয়র নার্স মিনা মারিয়া বলেন, অধিকাংশ রোগীই এখন মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ও বাজি ফুটিয়ে হাত পোড়া। রোগীদের ৮০ শতাংশই সড়ক দুর্ঘটনার। এছাড়া ৫ শতাংশ বাজি ফুটানোয় হাত পুড়ে ও ভেঙে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
হাসপাতালে ঘুরে দেখা গেছে, মোটরসাইকেল ছাড়াও সিএনজি ও অটোরিকশায় দুর্ঘটনা বেশি ঘটেছে। সে তুলনায় বাস ও ট্রাকের দুর্ঘটনা কম।
হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. গোলাম মাহবুব চৌধুরী বলেন, এবার ঈদে হাসপাতালে যারাই এসেছেন, তাদের মধ্যে বাইক দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা বেশি। এদিকে ঈদের ছুটিতে সড়ক এখনো ফাঁকা। অধিকাংশ লোকজনের মধে্য চলাচলের কোনো নীয়মনীতি মানা হচ্ছে না। এরফলে কারো ভাঙছে হাত, কারো ভাঙছে পা। সবারই সবেচতন হওয়া প্রয়োজন। সাবধানে চলাচল করা প্রয়োজন।