গ্রেফতারকৃত লিটন ভোলা সদরের ইলিশার মো. কালু মিয়ার ছেলে ও হেলপার আবুল খায়ের একই উপজেলার বিদুরিয়া গ্রামের হাসেম ঘরামীর ছেলে। দুজনই বাড্ডার আনন্দনগরের সার্জেন্ট টাওয়ারের পেছনে থাকতেন।
গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) আব্দুল আহাদ বলেন, ঘটনার পর পরই পরিস্থিতি বুঝে বাস রেখে পালিয়ে যায় তারা। পরে মিরপুরের শাহ আলী থানাধীন প্রিয়াংকা হাউজিং থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। রাতেই আত্মগোপনের উদ্দেশ্যে রাজধানী ছেড়ে ভোলা যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল তারা।
.png)
সোমবার দুপুরে বনানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।
ডিসি আব্দুল আহাদ বলেন, রোববার দুপুর পৌনে ১টার দিকে নর্দার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী নাদিয়া মোটরসাইকেলে উত্তরা থেকে আসছিলেন। প্রগতি সরণির যমুনা ফিউচার পার্কের সামনে ভিক্টর পরিবহনের বাসটি দ্রুত ও বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেলে ধাক্কা দিলে নাদিয়া রাস্তায় পড়ে যান। এরপর মাথার উপর দিয়ে বাসের চাকা যাওয়ায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
তিনি আরো বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ঘাতক বাসটি আটক করে। নাদিয়ার লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি শেষে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে ময়নাতদন্ত শেষে নাদিয়ার বাবার কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। পরে ভাটারা থানায় মামলা করেন নাদিয়ার বাবা জাহাঙ্গীর। বাসচালক ও হেলপারকে গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান শুরু করে। রাতেই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মিরপুরের শাহ আলী থানাধীন প্রিয়াংকা হাউজিং থেকে চালক ও হেলপারকে গ্রেফতার করা হয়।
উপ-কমিশনার আব্দুল আহাদ বলেন, আমরা আশ্বস্ত করেছিলাম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামি ধরব, সেটা করতে সক্ষম হয়েছি। গ্রেফতারকৃতদের দুইদিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।