তিনি জানান, মাহামুদ হাসান হিযবুত তাহরীরের শীর্ষ জঙ্গি নেতা এবং দাওয়াতি বিভাগের দায়িত্বশীল সদস্য। তার নেতৃত্বে ঢাকার বিভিন্ন মসজিদের সামনে হিযবুত তাহরীরের সদস্যদের নিয়ে ঝটিকা মিছিল হয়ে থাকে।
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক বৈঠক করে হিযবুত তাহরীরের লিফলেট এবং পোস্টার বিতরণের মাধ্যমে সরকার এবং রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম করে আসছিল। এর আগে তাকে একবার গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তী সময়ে জামিনে বের হয়ে আবার সংগঠনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখে বলে জানান তিনি।
.png)
মাহামুদ হাসানের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর ও পল্টন থানায় মোট ৩টি মামলা রয়েছে উল্লেখ করে র্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, মোহাম্মদপুর থানার মামলায় তার দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড হয়। কিন্তু রায় ঘোষণার সময় তিনি পলাতক ছিলেন। গোয়েন্দা নজরদারীর ধারাবাহিকতায় শেরেবাংলা নগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।