শুক্রবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হক।
তিনি জানান, ড্রাইভার সালেকুজ্জামান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২১ নম্বর গেট ব্যবহার করে টার্মিনালের ভেতরে প্রবেশ করেন। এরপর ১ নম্বর লাগেজ বেল্টের টয়লেট থেকে সোনার বার এবং সোনার চেইনগুলো সংগ্রহ করেন। অতঃপর এই সোনাগুলো নিয়ে কাস্টমসের গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় তার আচরণ এবং গতিবিধি দেখে এপিবিএনের গোয়েন্দাদের সন্দেহ হয়। গ্রিন চ্যানেল পেরিয়ে বের হয়ে যাওয়ার সময় তাকে আটক করেন গোয়েন্দারা। এরপর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সালেহকুজ্জামানকে এপিবিএন অফিসে নিয়ে আসা হয়।
.png)
জিয়াউল হক আরো জানান, এপিবিএনের অফিসে এনে ক্যাবের এই গাড়িচালককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি প্রথমে অস্বীকার করেন এবং পরবর্তীতে তিনি সোনা চোরাচালানের কথা স্বীকার করেন। এরপর তার শরীর তল্লাশি করলে তিনি নিজেই সোনার প্যাকেটগুলো বের করে দেন।
জিয়াউল হক বলেন, সোনার বারগুলো কালো স্কচটেপে মোড়ানো ছিল এবং সোনার চেইনগুলো সাদা স্কচটেপে মোড়ানো ছিল। ৫টি সোনার বার (৯৯.৯৬ গ্রাম করে প্রতিটি বার) পাওয়া যায়। সোনার বারগুলোর ওজন ৪৯৯.৬২ গ্রাম, সোনার চেইন এবং ব্রেসলেটের ওজন ৩২৩.৯০ গ্রাম। সবমিলে ৮২৩.৫২ গ্রাম। যার বাজার মূল্য প্রায় ৮২ লাখ টাকা।
জিয়াউল হক জানান, ঈদকে সামনে রেখে একটি চক্র বিমানবন্দরকে ব্যবহার করে চোরাচালানে সক্রিয় হয়েছে। এই ধরনের প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন গত ১২ এপ্রিল থেকে চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে আসছে।
উদ্ধার হওয়া সোনার বার এবং সোনার চেইনের বিষয়ে ফৌজদারি আইনে বিমানবন্দর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।