সিটি কর্পোরেশন জানায়, ঢাকা নিউ মার্কেটের সঙ্গে সংযুক্ত পথচারী পারাপার সেতুটি (ফুটওভার ব্রিজ) গতবছরই ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়। তখন সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে ফলক ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এবং সেতুটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু পরবর্তীতে সে প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে লোকজন চলাচল করছিল। যা অত্যন্ত অনিরাপদ। গত ১২ এপ্রিল সেই সেতুটির সঙ্গে মার্কেটের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল রাত ২টা হতে ভোর ৫.১৫মি. পর্যন্ত সেতুটির সঙ্গে মার্কেটের ২য় তলার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং কর্পোরেশন আজকের মতো কার্যক্রম শেষ করে।
এদিকে আজ ভোর ৫ টা ৫০ মিনিটে আগুন লাগে বলে গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়। সুতরাং অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাতের সময় হতে আধা ঘণ্টারও বেশি সময় আগে সম্পন্ন হওয়া সেতুর সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ কার্যক্রমের দৃশ্যত ও অদৃশ্য কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই।
এরপরও কিছু স্বার্থান্বেষী মহল সেতু অপসারণের সঙ্গে আগুন লাগাকে একসূত্রে গাঁথার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়। এই অগ্নিকাণ্ডের সঙ্গে কর্পোরেশনের সেতু বিচ্ছিন্নকরণের ন্যূন্যতম কোনো সংযোগ নেই। কারণ সেতু বিচ্ছিন্নকরণ স্থান থেকে ৪০০ ফুটেরও অধিক দূরত্বে আগুন লেগেছে, সেতু বিচ্ছিন্নকরণে কর্পোরেশন কোনো গ্যাস কাটার ব্যবহার করেনি। হুইল এক্সক্যাভেটর ব্যবহার করে সেতু বিচ্ছিন্ন করা হয়। আর বিচ্ছিন্নকরণ স্থানে কর্পোরেশনের কর্মকর্তা, ডিপিডিসি'র কর্মকর্তা উপস্থিততে নিরাপদে এই কার্যক্রমটি সম্পন্ন করা হয়। এছাড়াও সেতুর সঙ্গে মার্কেটের সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণের আগে থেকেই সেতুর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল।
অগ্নিকাণ্ডসহ কোনো ধরনের দুর্ঘটনা কাম্য নয়। তথাপি, এ ধরনের দুর্ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি কমানো ও জান-মালের নিরাপত্তা বিধান করা সর্বাত্মক অগ্রাধিকার। সেলক্ষ্যে ফায়ার সার্ভিস পুলিশ সেনাবাহিনী ও র্যাবসহ সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থা নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে।
দুর্যোগের এই কঠিনতম সময়ে ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ভিত্তিহীন সংবাদ ও গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়।
.png)