‘বাঘ-সিংহ ও বিশাল হাতি দেখেই ভয় পেয়ে যাই’
‘এখানে এসে খুবই খুশি লাগছে। তবে বাঘ-সিংহ ও বিশালদেহী হাতি দেখে ভয় পেয়ে যাই। পরে আবার ভালোও লেগেছে।’ জাতীয় চিড়িয়াখানায় শিশু রাকিব এভাবে তার অভিব্যক্তি প্রকাশ করে। ঈদের দ্বিতীয় দিনেও চিড়িয়াখানায় উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। ঈদ উপলক্ষে এখানে শিশু রাকিবের মতো আরো অনেক শিশু তাদের বাবা-মায়ের সঙ্গে এখানে ঘুরতে আসে।
রোববার সরেজমিন দেখা যায়, দুপুর গড়াতেই অসংখ্য মানুষের ভিড়ে জমে উঠেছে চিড়িয়াখানা প্রাঙ্গণ। রাজধানীসহ দেশের নানা প্রান্ত থেকে এসেছেন অগণিত দর্শনার্থী। অধিকাংশই এসেছেন পরিবারসহ, আবার কেউ এসেছেন বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে।
বাবার সঙ্গে ঘুরতে এসেছে সামিয়া। সে বলে, আমি বাঘ, সিংহ, ভালুক ও ঈগলসহ অনেক পাখি দেখেছি। তবে ভালুক আর সিংহ আমার বেশি ভালো লেগেছে।
.png)
জানা গেছে, ঈদের দিন চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থী ছিল প্রায় এক লাখ। এখন সে সংখ্যা ছাড়িয়ে যাবে বলেও আশা করেন তারা।
চিড়িয়াখানায় এসে সবচেয়ে বেশি আনন্দ পাচ্ছে শিশুরা। এতদিন বইয়ের পাতায় যেসব পশু-পাখিকে তারা দেখে এসেছে, বাস্তবে সেসব দেখে তারা আরো বেশি উচ্ছ্বসিত।
উল্লেখ্য, চিড়িয়াখানায় ১৩টি বাঘ আছে। সাতটি সিংহ আছে। হাতি আছে পাঁচটি ও জিরাফ আছে সাতটি। জেব্রা আটটি, জলহস্তী ১৩টি, ক্যাঙ্গারু দুটি, ভাল্লুক চারটি, হায়েনা তিনটি ও গণ্ডারের সংখ্যা একটি। এর মধ্যে বাঘ-সিংহের খাঁচার সামনেই দর্শনার্থীর ভিড় বেশি।
অন্যবারের তুলনায় এবারের ঈদে চিড়িয়াখানায় নিরাপত্তা ব্যবস্থাও বেশ শক্ত। অযাচিত কোনো হকার বা ভিক্ষুকের ভোগান্তি নেই। ট্যুরিস্ট পুলিশ দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় রয়েছে।