রোববার বিকেল ৩টার দিকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শিক্ষার্থীর বাবা বলেন, প্রযুক্তা সাহা ও লেভেল দিয়েছে। করোনার সময় মোবাইলে গেমস খেলতে গিয়ে এক ছেলের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আমরা বিষয়টি জানতে পেরে তার কাছ থেকে মোবাইল নিয়ে যাই। পড়ালেখায়ও সে অমনোযোগী ছিল। পরে সে অভিমান করে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
.png)
তিনি আরো বলেন, আমি একটি অ্যাগ্রিকালচার কোম্পানিতে চাকরি করি। আমাদের বাড়ি নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানার রথখলা গ্রামে।
হাজারীবাগ থানার ওসি আহাদ আলী বলেন, বিস্তারিত জানার জন্য আমরা ঢাকা মেডিকেলে টিম পাঠিয়েছি। মরদেহটি বর্তমানে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে।