শুক্রবার হাসপাতালটি পরিদর্শন শেষে এসব নির্দেশনা দেয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিদর্শন টিম।
ভুক্তভোগী মাহবুবা রহমান আঁখির চিকিৎসাজনিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য অধিদফতর কর্তৃক গঠিত পরিদর্শন টিমের পরিদর্শন শেষে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।
.png)
পরিদর্শন টিম আরো কিছু নির্দেশনা দিয়েছে, সেগুলো হলো-
১. ডা. সংযুক্তা সাহা পরবর্তী লিখিত অনুমোদন ছাড়া সেন্ট্রাল হাসপাপাতালে কোনো ধরনের বিশেষজ্ঞ সেবা দিতে পারবেন না।
২. আইসিইউ ও জরুরি সেবার মান সন্তোষজনক না হওয়ার অপারেশন থিয়েটারের কার্যক্রম পরবর্তী নিদেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
৩. মাহবুবা রহমান আঁখির পরিবারের কাছ থেকে গৃহীত চিকিৎসা বাবদ সব খরচ এবং চিকিৎসাজনিত জটিলতার সব খরচ সেট্রাল হাসপাতাল পক্ষকেই বহন করতে হবে।
৪. বর্ণিত রোগীর চিকিৎসায় জড়িত সব চিকিৎসকের এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত যাতীয় কাগজপত্র বিএমডিসিতে পাঠাতে হবে। বিএমডিসি থেকে চিকিৎসকের নিবন্ধন বিষয়ক সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে তদানুযায়ী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
৫. ভুক্তভোগী কোনো ক্ষতিপূরণ দাবি করলে বিদ্যমান আইনি প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করতে হবে।
৬. আদালতে চলমান মামলায় অভিযুক্ত ডা. শাহজাদী ও ডা. মুনার সব খরচ সেন্ট্রাল হাসপাতালকে বহন করতে হবে।
৭. অভিযোগ সংক্রান্ত সব কাগজপত্রাদি স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে। পরবর্তীতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্দেশনার আলোকে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, উপরোক্ত নির্দেশনাসমূহ ১৬ জুন ২০২৩ তারিখে জারি এবং কার্যকর হবে। এর কোনো ব্যত্যয় ঘটলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এর আগে, নবজাতকের মৃত্যু এবং মা মৃত্যুঝুঁকিতে পড়ার ঘটনায় দুই চিকিৎসককে গ্রেফতার করেছে ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। তারা হলেন- ডা. শাহজাদী ও ডা. মুনা।
প্রসঙ্গত, প্রসব ব্যথা ওঠায় গত ৯ জুন রাত ১২টা ৫০ মিনিটে সেন্ট্রাল হাসপাতালে ডা. সংযুক্তা সাহার অধীনে ভর্তি করা হয় মাহবুবা রহমান আঁখিকে। তখন ডা. সংযুক্তা সাহা হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন না। তারপরও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, তিনি আছেন এবং ওটিতে (অপারেশন থিয়েটার) কাজ করছেন।