ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকার প্রান্তিক খামারি হালিম মিয়ার লালন করা ষাড় এটি। রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী গাবতলীর পশুর হাটে সাদা- কালো রঙের ‘শাকিব খান’ এর দাম হাঁকানো হচ্ছে ৮ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার গাবতলীর পশুর হাটে গিয়ে দেখা গেলে এমন দৃশ্য। দুপুর ২টার দিকে শুয়ে আছে শাকিব খান। যেন অফুরন্ত অবসর সময় তার! মালিক হালিম মিয়া শাকিব খানকে খড়কুটে খাওয়াচ্ছেন। জানতে চাইলে ডেইলি বাংলাদেশকে তিনি বলেন, ‘আমি এ গরুটি চার বছর ছয় মাস ধরে লালপালন করছি। কোরবানির হাটে গরুটিকে বিক্রি করার জন্য নিয়ে এসেছি। এর লালন-পালনে আমি অনেক শ্রম দিয়েছি। এখন বিক্রির সময়, দেখা যাক।’
.png)

গত রোববার ময়মনসিংহ থেকে ঢাকায় গরুটি নিয়ে এসেছেন হালিম মিয়া। তিনদিন ধরে গাবতলীর গরুর হাটে আছেন। কোনো ক্রেতা গরুটি দেখতে কিংবা কিনতে আসেননি। ঢাকায় গরুটির নিয়ে এসেও তার জন্য প্রতিদিন ৭০০ টাকার খাবার লাগে। তবে কোনো ক্রেতার সঙ্গে দাম মিললে ইচ্ছাকৃত দামের চেয়ে কিছু টাকা কমেও গরুটি বিক্রি চান তিনি। এ প্রসঙ্গে হালিম বলেন, ‘তিনদিন ধরে গরুর হাটে আছি। এখানেই থাকি। সারাদিন গরুটির পেছনে খরচ হচ্ছে। কেউ দেখতে আসেনি। গরুটির যা দাম চাইছি, কেউ নিলে নিবে। না নিলে বাড়িতে নিয়ে যাবো।’
এদিকে দুপুর পর্যন্ত গাবতলী পশুর হাট সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ট্রাক ও পিকআপে করে গরু হাটে আনা হচ্ছে। হাটে ঢুকতে ও বের হওয়ার সময় ক্রেতা, বিক্রেতা ও রাখালদের গরু টানা-হেঁচড়ায় জটলা লেগে যাচ্ছে। হাটে বেড়েছে মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা। আড়াই থেকে সাড়ে চার লাখ টাকার গরু বিক্রি হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ঢাকায় কোরবানির পশুর হাট বসছে ২৩ জুন থেকে। এবার ১৭টি অস্থায়ী ও ২টি স্থায়ী কোরবানির পশুর হাটের জায়গা চূড়ান্ত করেছে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন। গাবতলীর পাশাপাশি উত্তরে ৮টি এবং দক্ষিণে সারুলিয়ায়সহ বসছে আরো নয়টি হাট।