রোববার সকালে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গণসঙ্গীত শিল্পী ফকির আলমগীরের নামে নামকরণ করা সড়কের উদ্বোধনের সময় এ কথা বলেন তিনি।
ডিএনসিসি মেয়র বলেন, গণসংগীত শিল্পীরা যে গান গেয়েছেন সেগুলো মানুষকে উজ্জীবিত করে। ফকির আলমগীর, আজম খান, ফিরোজ সাঁই, পিলু মমতাজ, ফেরদৌস ওয়াহিদ, আব্দুল আলীম উনারা যে গানগুলো গেয়েছেন এগুলো শুনলে কেউ বাবা মাকে ভুলতে পারবে না, দেশকে ভুলতে পারবে না। আমি নিজে গান শুনি। এসব গান প্রাণের সঞ্চার করে। প্রখ্যাত এই গুণী শিল্পীদের গান হৃদয়ে ধারণ করতে হবে। শিল্পীদের যথাযথ সম্মান দিতে হবে।
.png)
তিনি আরও বলেন, আজকে এই সড়কটি শিল্পী ফকির আলমগীরের নামে নামকরণের মাধ্যমে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গুণী শিল্পীকে সম্মানিত করা হলো। একটি অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণ করতে হলে শিল্পী, সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিদের যথাযথ সম্মান দিতে হবে। সমাজ থেকে জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ ও হিংসা-বিদ্বেষ দূর করতে সংস্কৃতির বিকাশ খুবই জরুরি।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ডিএনসিসি মেয়র বলেন, সিটি কর্পোরেশন থেকে আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করছি। কিন্তু সমাজের সর্বস্তরের জনগণকে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সম্পৃক্ত হতে হবে। সবাইকে জানাতে হবে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিসের লার্ভা জন্মায়। কোথাও যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।
শুরুতে ডিএনসিসি মেয়র খিলগাঁও তালতলা কবরস্থানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গণসঙ্গীত শিল্পী ফকির আলমগীরের কবরে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। পুস্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া শেষে খিলগাঁও বি ব্লক, ছয় নম্বর রোড শিল্পী ফকির আলমগীর সড়ক নামে উদ্বোধন করেন।
ফকির আলমগীরের ছোট ভাই শিল্পী ফকির সিরাজের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন- শিল্পী ফকির আলমগীরের সহধর্মিণী সুরাইয়া আলমগীর, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী রফিকুল আলম, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস, পল্লীমা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাফিজুর রহমান ময়না প্রমুখ।