সোমবার ভোরের দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রমনা থানার সুরতহাল প্রতিবেদনকারী উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমেনা খানম বলেন, রাতে আমরা খবর পেয়ে রমনা থানাধীন সোহাগ পরিবহন কাউন্টারের সামনের মালিবাগ মৌচাক ফ্লাইওভারের নিচে যাই। সেখান থেকে ঐ তরুণীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতাল মর্গে পাঠাই।
.png)
এসআই আমেনা খানম বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি রাত ৮টার দিকে তার এক বন্ধুর সঙ্গে কফি খাওয়ার কথা বলে হাতিরঝিলের বাসা থেকে বের হন। তিনি বিভিন্ন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টে ড্যান্সার হিসেবে কাজ করতেন। তাকে ফ্লাইওভার থেকে কেউ নিচে ফেলে দিয়েছে কি না সে বিষয়টি এখনো জানতে পারিনি। ফ্লাইওভার থেকে পড়ার আগে সে ধর্ষিত বা নেশা জাতীয় কোনো কিছু খেয়েছিল কি না সেটি ময়নাতদন্তে রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।
নিহত তরুণী হাতিরঝিল থানার ওমর আলী লেনে ভাড়া বাসায় মা ও ভাইকে নিয়ে থাকতেন।
রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল হোসেন বলেন, ঘটনার পর থেকেই আমরা এর পেছনের রহস্য খোঁজার চেষ্টা করছি। তিনি তার কোন বন্ধুর সঙ্গে কফি খেতে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন সেটা জানার চেষ্টা করছি। তার মাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল তিনি ঐ বন্ধুর নাম বলতে পারেননি।
ফ্লাইওভারের উপরে একটি বসার জায়গা ছিল সেখান থেকে সে অসাবধানতাবশত পড়ে গিয়েছে, নাকি তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছে সে বিষয়টি জানার চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান তিনি।
নিহতের মা আজিমুন ইসলাম বলেন, আমার মেয়ে পড়াশোনা করে না। আগে পড়াশোনা করত। বর্তমানে নাচ করতো। গতরাত সাড়ে ৮টার দিকে ফোন করে ওর বন্ধু বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে আমার মেয়েকে বার বার ফোন দিলে ফোন রিসিভ করে নাই। রাতে রমনা থানা থেকে পুলিশ ফোন দিয়ে আমাকে থানায় যেতে বলে। পরে আমি থানায় গিয়ে আমার মেয়ের লাশ দেখতে পাই।
তিনি বলেন, আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে।