শনিবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে এ মারামারির ঘটনা ঘটে। পড়ে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে চিকিৎসক বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা তার স্ত্রী জয়নব বেগম জানান, আমার বোন ফাতেমা বেগমের স্বামী জাকেরের কাতার যাওয়ার কথা ছিল। তবে আজকে ফ্লাইট মিস হওয়ায় তারা আমার স্বামীর ওপর চড়াও হয়। তখন আমার উপস্থিতিতে আমার ভাই জাকের হোসেন, আমার বোন ফাতেমা বেগম ও আমার ছোট ভাই ইউনুস কিলঘুষি ও এলোপাতাড়ি মারধর করতে থাকে। এতে আমার স্বামী অচেতন হয়ে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
.png)
তিনি আরো বলেন, আমার স্বামী বার বার চিৎকার করে বলেছে ফ্লাইট মিস হয়েছে তাতে কী, ৪০-৫০ হাজার টাকা খরচ হবে। সেটা আমি দেখবো। কিন্তু এরপরও তারা আমার স্বামীকে মারধর করে হত্যা করলো। এটা পূর্বপরিকল্পিত এবং এ বিষয়ে তিনজনের বিরুদ্ধে আমি রমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করবো।
আমাদের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী থানার শাখেরপুর গ্রামে। একই গ্রামের আলী আহমেদের ছেলে এম বাহার। বর্তমানে শান্তিনগরে এক সন্তান নিয়ে আমরা থাকতাম।
রমনা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শহিদুল ওসমান মাসুম জানান, খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। ব্যবসায়ীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।