তারা হলেন- মো. জীবন মিয়া(৪৫), মোছা. খাদিজা আক্তার(৩০), মোছা. তন্নিমা আক্তার(১৩), মো. সোয়াদ(৮), মো. জিহাদ(১০) ও আবুল কাশেম (৫৫)।
সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় দ্রুত তাদেরকে উদ্ধার করে রাত পৌনে আটটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
.png)
আহত জীবন মিয়া জানান, আমার স্ত্রী নারায়ণগঞ্জের গাউছিয়ায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। আমরা প্রথমে নরসিংদী আমার চাচা আবুল কালামের বাসায় যাই। পরে কিশোরগঞ্জ যাওয়ার পথে ভৈরবে এ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছি।
তিনি আরো জানান, আমাদের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার সদর থানার মাটিয়া গ্রামে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক মো. আলাউদ্দিন জানান, ভৈরবে ট্রেন দুর্ঘটনায় ঢাকা মেডিকেলে ছয়জন এসেছেন। তাদের মধ্যে একই পরিবারের পাঁচজন রয়েছেন। চারজনকে চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দুই জনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। আহত শিশু সোহাগ ও আবুল কাশেমকে চিকিৎসক ভর্তি রেখেছেন।