সোমবার ডিএনসিসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এর আগে, ডিএনসিসি সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক এ বিষয়ে নির্দেশনাসহ একটি অফিস আদেশ জারি করেন।
.png)
ডিএনসিসি সচিব জানান, জারি করা নির্দেশনা পালনে অবহেলা প্রদর্শিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, সচিব, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, প্রধান প্রকৌশলী, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা প্রত্যেক মাসে দুটি আঞ্চলিক অফিস পরিদর্শন করে এ বিষয়ে মেয়র বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করবেন।
ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, চিঠিতে কর্মকর্তাদের অফিসে নিয়মিত উপস্থিতির পাশাপাশি বাকি নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, সব কার্যালয়ে নথিপত্র, আসবাবপত্র ইত্যাদি সর্বদা পরিপাটি করে রাখা নিশ্চিত করতে হবে। কার্যালয়ের চারপাশের এলাকা অবাঞ্ছিত বা পরিত্যক্ত দ্রব্য ফেলা থেকে মুক্ত রাখতে হবে। সব কার্যালয়ে উন্মুক্ত স্থানগুলো যথাসম্ভব সবুজায়ন করতে হবে। জীর্ণ, ভাঙা, আসবাবপত্র, বিনষ্টযোগ্য নথির তালিকা করে যথাযথ ব্যবস্থাগ্রহণ করতে হবে।
কর্মচারীদের নিজ কর্মপরিবেশে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে হবে। ‘পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার দায়িত্ব আমাদের সকলের’ বা এ সংক্রান্ত কোনো স্লোগান প্রত্যেক কার্যালয়ে ব্যবহার করতে হবে। সব কার্যালয় ধুমপানমুক্ত রাখা নিশ্চিত করতে হবে।
সব কার্যালয়, আবাসিক কোয়ার্টার ইত্যাদির ছাদ, কমন স্পেস, সিঁড়ি, সানসেট, পানির ট্যাংক ইত্যাদি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। অফিসে আসা নাগরিক, সেবা গ্রহণকারীদের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে হবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।