বৃহস্পতিবার শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ইকুইপমেন্ট প্রদর্শনী-২০২৪ ও নতুন ইক্যুইপমেন্ট কমিশনিং অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
ইকুইপমেন্ট পরিদর্শন শেষে বিমানের এমডি বলেন, ৫২ বছর ধরে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের সেবা দিয়ে আসছে বিমান। এ সেবা নিয়ে কেউ যেন প্রশ্ন তুলতে না পারে সে বিষয়ে আমরা সচেষ্ট। এয়ারক্রাফটের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত কাজ করছে বিমান।
.png)
তিনি আরো বলেন, শাহজালাল বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক টার্মিলানকে কেন্দ্র করে ১ হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন ইকুইপমেন্ট কেনা হয়েছে। এরই মধ্যে ৭০ ভাগ যন্ত্রপাতি নিয়ে আসা হয়েছে। মার্চের মধ্যে বাকি ৩০০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি চলে আসবে। সব ইকুইপমেন্ট এলে ২০০টি এয়ারক্রাফটকে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সার্ভিস দেওয়া সম্ভব হবে।
মো. শফিউল আজিম বলেন, টার্মিনালের সুবিধা যত বাড়বে ততই আমাদের গ্রাউন্ড পরিচালনার সক্ষমতা বাড়বে। বিমানের কর্মীদের ডিজিটালি মনিটরিং জোরদার করতে বডি ক্যামেরা সংযুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে নির্ধারিত সময় ও স্থানে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
এ সময় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।