প্রায় দু’সপ্তাহ আগের ঘটনা। গার্মেন্টসকর্মী আল-আমিনের স্ত্রীর জমজ সন্তান হলেও জন্মের কিছুদিন পরই এক সন্তান মারা যায়। শুরু হয় দ্বিতীয় সন্তানকে বাঁচিয়ে রাখার যুদ্ধ। শিশুটিকে ডেল্টা হেলথ কেয়ার হাসপাতালের ভর্তির পর রাখা হয় এনআইসিইউ'তে। সময় গড়াতে থাকে, সঙ্গে বাড়তে থাকে হাসপাতালের বিলের পরিমাণ। ১৪ দিন চিকিৎসার পর গত বুধবার হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হলেও সম্পূর্ণ বিল পরিশোধ করতে না পারায় আটকে রাখা হয় শিশুটিকে।
দরিদ্র বাবা কিছু টাকা নগদে শোধ করে বাকিটা চেক বন্ধক রেখে ২ মাসের মধ্যে পরিশোধ করতে চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আরো ক্ষেপে যায়। তিনি বলেন, আমার কাছে এত টাকা না থাকায় আমি চেক দিয়ে বলেছিলাম আমাকে ২ মাস সময় দিতে। তারা আমাকে জানিয়েছে, তারা চেক নেয় না। তাদের নগদ টাকা লাগবে।
.png)
গণমাধ্যমের সামনেই ভুক্তভোগী বাবাকে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার বলেন, মামার বাড়ির আবদার? নাকি এটা আপনার শ্বশুরবাড়ির নাকি ভাইয়ের প্রতিষ্ঠান? আপনি গার্মেন্টসে চাকরি করেন, ফিডার দিয়া দুধ খান? চেক আমরা নেই না। আমার কাছে ইতোমধ্যেই ১০টা চেক আছে, আপনারা দেখবেন?
পরে গণমাধ্যমের উপস্থিতিতে ভুক্তভোগীর দেয়া প্রস্তাবে রাজি হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ ১৭ দিন পরে নিজ সন্তানকে নিয়ে ঘরে ফেরেন বাবা।