এতে বিগত প্রায় ৬ মাস ধরে সীমাহীন ভোগান্তি পোহাচ্ছেন মানুষ। ডিএসসিসির সেবা সহজ করার উদ্যোগ উল্টো ভোগান্তি বাড়িয়েছে। এতে নগর সংস্থাটির ওপর অনেকেই অসন্তোষ প্রকাশ করছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যালয়ের সঙ্গে গত বছর ডিএসসিসির টানাপোড়েন শুরু হয়। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনের ফি আদায়কে কেন্দ্র করে এর শুরু। পরে সার্ভারের দুর্বলতা ও ভোগান্তির বিষয়গুলো সামনে আসে।
.png)
এসব টানাপোড়েনে গত বছরের জুলাই থেকে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন সার্ভার ব্যবহার বন্ধ করে দেয় ডিএসসিসি। গত বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঐ সার্ভার বন্ধ ছিল। আর ঐ সময়ে নতুন সার্ভার তৈরি করেছে ডিএসসিসি। অক্টোবর থেকে ডিএসসিসি নিজস্ব সার্ভারে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করেছে। এতে নিবন্ধনের আবেদন সহজ হয়েছে। তবে অন্য স্থানে সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে।
সূত্র আরো জানায়, নতুন সার্ভারে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম শুরুর পর গত বছরের অক্টোবরে ২৬টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে চিঠি দিয়েছে ডিএসসিসি। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো ডিএসসিসির সার্ভার তাদের সংস্থার সার্ভারের সঙ্গে সমন্বয় করে নিলে ঐ জন্ম-মৃত্যু সনদে সেবা কার্যক্রম পেয়ে যাবেন।
তবে প্রায় ৬ মাস হয়ে গেলেও এখনো সব সংস্থা এই কাজটি করেনি। এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন মানুষ। বিশেষ করে পাসপোর্ট অধিদফতরে ভোগান্তির মাত্রা চরমে পৌঁছেছে। বড়দের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে পাসপোর্ট করা গেলেও শিশুদের তা না থাকায় ডিএসসিসির জন্মসনদে পাসপোর্ট করানো যাচ্ছে না।