জানা গেছে, হুমায়রার বাসা বনানীতে। তিনি উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টরের ১২ নম্বর রোডের একটি বাসায় স্বামীর সঙ্গে থাকতেন।
হুমায়রার বাবা মাহবুব আলম জানান, তারা জানতে পেরেছেন ইফতারের সময় পারিবারিক বিষয় নিয়ে তার মেয়ে ও জামাইয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর ইফতারের সময় পানি মুখে দিয়ে তার মেয়ে রুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। একপর্যায়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেন। পরে তার স্বামী দেখতে পেয়ে দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসেন। পরে সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
.png)
এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, মরদেহ জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।