শনিবার র্যাব-১ ও র্যাব-৮ এর যৌথ অভিযানে বরিশালের হিজলা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তবে বাসটির হেলপার এখনো পলাতক।
র্যাব জানায়, বাস চালানোর জন্য লাইসেন্স ছিল না চালক হিমেলের। এছাড়া রাইদা পরিবহনের বাসটির ফিটনেস সংক্রান্ত কাগজপত্রও ছিল না।
.png)
শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরায় র্যাব-১ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র্যাব-১ এর উপ-অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ মাসুদ হায়দার।
তিনি বলেন, গত ১৯ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের অস্থায়ী প্রাচীর ভেঙে রাইদা পরিবহনের একটি বাস ভেতরে ঢুকে পড়ে। এ সময় বাসটি মোটরসাইকেল চালক মাইদুল ইসলাম সিদ্দিকীকে চাপা দেয়, এতে তার মৃত্যু হয়। চালক মাহমুদ হাসান এবং হেলপার ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। তাদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব-১ এবং র্যাব-৮ এর দুটি দল ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরপর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলার হরিনাথপুর এলাকা থেকে চালক হাসান মাহমুদ হিমেলকে গ্রেফতার করা হয়।
চালক হিমেলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান মেজর মোহাম্মদ মাসুদ হায়দার।
শুক্রবার রাইদা পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের বাউন্ডারি ভেঙে ভেতরে ঢুকে যায়। এ সময় রাস্তা দিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলেন সিভিল এভিশনের সিনিয়র সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার মাইদুল ইসলাম সিদ্দিকী। তার মোটরসাইকেলটি রাইদা পরিবহনের বাসের নিচে চলে যায়। পরে তাকে গুরুতর অবস্থায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।