রোববার গুলশান-২ নম্বর নগর ভবনের সামনে রিকশাচালকদের মাঝে ছাতা বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিএনসিসি মেয়র বলেন, তীব্র দাবদাহে রিকশাচালক ভাইদের খুব কষ্ট হয়৷ প্রচণ্ড রোদে তারা যদি অসুস্থ হয়ে যায়, তাহলে পুরো পরিবারের জন্য অনেক সমস্যা। রোদের কারণে তারা যদি রিকশা চালাতে না পারে, তারা যদি অসুস্থ হয়ে পড়ে, তাহলে তাদের পরিবার কিন্তু চলতে পারবে না। কারণ অনেক রিকশাচালকের দৈনিক ইনকামের ওপরে তাদের পরিবার চলে। তাই তীব্র দাবদাহে তাদের কষ্টের বিষয় চিন্তা করে এ উদ্যোগ নিয়েছি।
.png)
তিনি বলেন, ছাতাটা আমরা বিশেষভাবে তৈরি করেছি। এটা অ্যাডজাস্টেবল। কোনো রিকশাচালক লম্বা হলে ছাতার উচ্চতা বাড়িয়ে নিতে পারবে, কেউ উচ্চতায় কম হলে ছাতার উচ্চতা কমিয়ে নিতে পারবে। তাদের প্রত্যেককে হাফ লিটার পানির জার দিচ্ছি। এতে একটি স্যালাইন মিশিয়ে খেতে পারবে। এক লিটার জার দেওয়ার কথা ভেবেছিলাম, কিন্তু স্যালাইন মিশিয়ে খাওয়ার বিষয় বিবেচনা করে হাফ লিটার জার দিচ্ছি। চিফ হিট অফিসার বুশরা আফরিনের পরামর্শে এ কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, স্প্রে ক্যাননের মাধ্যমে পানি ছিটানোর কাজটি চলমান থাকবে। পার্কগুলোতেও পানির স্প্রে করা হবে। যদিও পার্কে স্প্রে করার কাজটি বেশ ব্যয়বহুল। আমি আহ্বান করছি... কেউ চাইলে সহযোগিতা করতে পারেন। কেউ ছাতা দিতে চাইলে আমাদের সহযোগিতা করতে পারেন। অনেক কোম্পানি অথবা ব্যক্তি এগিয়ে আসতে পারেন।
তিনি বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডে তিনটি বিশেষ ভ্যানগাড়িকে (৫০০ লিটার পানির ট্যাংক সম্বলিত) পথচারীদের পানি পান করানোর জন্য নামানো হয়েছে। ভ্যানগুলো বিশুদ্ধ খাবার পানি নিয়ে ওয়ার্ডের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরবে। এই ভ্যানগুলো ছোট আকারে করা হয়েছে, যেন শহরের অলিগলিতে প্রবেশ করতে পারে এবং পথচারী ও শ্রমজীবী মানুষ যেন পানি খেতে পারে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়রুল আলম, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মঈন উদ্দিন, ১৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. মফিজুর রহমান ও সংরক্ষিত আসনের নারী কাউন্সিলর আমেনা বেগম প্রমুখ।