ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ রাজধানী ]

কনস্টেবল মনিরকে গুলি করে হত্যার পর যা বলেন কনস্টেবল কাউসার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:০৮, ৯ জুন ২০২৪
কনস্টেবল মনিরকে গুলি করে হত্যার পর যা বলেন কনস্টেবল কাউসার
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর গুলশানে বারিধার ডিপ্লোম্যাটিক জোন এলাকায় ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে মনিরুল ইসলাম নামের পুলিশের এক কনস্টেবলকে গুলি করে হত্যা করেন আরেক কনস্টেবল কাউসার আহমেদ। তারা দুজনই সেখানে কূটনীতিক নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মনিরুলকে গুলি করে ফিলিস্তিনি দূতাবাসের প্রধান ফটকের সামনে এসে দাঁড়ান কাউসার। তখন প্রধান ফটকে দু-তিনজন নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন। তারা গুলির শব্দ শুনতে পেলেও তখন ধারণা করতে পারেননি যে, কাউসার মনিরুলকে গুলি করে এসেছেন। তখন কাউসারকে ফিলিস্তিনি দূতাবাসের নিরাপত্তারক্ষীরা জিজ্ঞেস করেন মনিরুল কেন রাস্তায় পড়ে রয়েছেন। তখন কাউসার উত্তরে বলেন, ‌‘শালা নাটক করতাছে। এমনি রাস্তায় পড়ে আছে’।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ফিলিস্তিন দূতাবাসের একজন নিরাপত্তারক্ষী বলেন, ঘটনার সময় আমরা দূতাবাসের ভেতরে ছিলাম। হঠাৎ রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে ৭-৮ রাউন্ড গুলি শব্দ শুনে বাইরে আসি। বাইরে আসার পর কনস্টেবল কাউসারকে দেখি ফিলিস্তিনি দূতাবাসের প্রধান ফটকের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। আর একটু দূরেই পড়ে রয়েছে কনস্টেবল মনিরুলের মরদেহ। তখন আমরা কাউসারকে জিজ্ঞেস করি কী হয়েছে। তখন সে বলে, ‘শালা (মনিরুল) নাটক করতাছে, এমনি মাটিতে পড়ে রয়েছে’। একথা বলে কাউসার দূতাবাসের বিপরীত পাশে রোডে চলে যায়। এরই মধ্যে সবাই বুঝতে পারেন কাউসার মনিরুলকে গুলি করেছে। এর পরপরই ঘটনাস্থলে থাকা নিরাপত্তারক্ষীরা তাকে আটক করে।

Advertisement

এ ঘটনার জেরে কূটনীতিক এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুরো এলাকা নিরাপত্তাবেষ্টনীতে ছেয়ে ফেলেছে পুলিশ। এ মুহূর্তে যে কেউ প্রবেশ করতে গেলে তল্লাশি করা হচ্ছে।

ঘটনাস্থলের আশপাশে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ, সোয়াতসহ থানা পুলিশের একাধিক দল মোতায়েন রয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!