তিনি ডেইলি বাংলাদেশকে জানান, গত ৫ আগস্ট মিরপুর মডেল থানায় আগুন জ্বালিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। ৬ আগস্ট আমরা মিরপুর থানার আগুন ফায়ার সার্ভিসের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করি। তখন দেখি মিরপুর মডেল থানায় কোনো পুলিশ নেই। তখন আমরা নিজেরাই মিরপুর মডেল থানা পাহারা দেই।
তিনি বলেন, আমরা চিন্তা করি, যেগুলো লুট হয়েছে সেগুলো তা উদ্ধার করব। তথ্য পাই, একটি বাসায় অস্ত্র ও গুলি রাখা হয়েছে। পরে সেনাবাহিনীকে ঘটনাটি জানাই। তারা জানায় আপনারা আগে যান, দেখেন কিছু পান কিনা; পরে আমরা যাব। পরে সেই বাসাটিতে অভিযানে গেলে গুলি উদ্ধার করা হয়। ঐ বাসার যিনি ভাড়াটিয়া তিনি এখন পলাতক।
.png)
আবু সায়েম বলেন, হয়তো খারাপ কোনো উদ্দেশ্যে এগুলো নিজের কাছে রেখেছেন। না হলে সেনাবাহিনীর তো সাধারণ ক্ষমার ঘোষণা করছে, থানায় ফেরত দিলে সমস্যা নেই। কিন্তু তিনি কেন তার কাছে এগুলো রেখেছেন? এছাড়া আমরা তার বাসায় ইয়াবা পাই। আমরা মনে করছি, তিনি ইয়াবা ব্যবসায়ী ছিলেন। যতদিন মিরপুর মডেল থানা সব অস্ত্র উদ্ধার না হবে ততদিন পর্যন্ত আমাদের অভিযান চলবে।
এ সময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।