শুক্রবার বেলা ১১টায় ঢাকা রিপোর্টস ইউনিটিতে এ দাবি করেন ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের ক্যাটারিং সেলস এক্সিকিউটিভ এবং শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুজ্জামান৷
তিনি অভিযোগ করেন, একটা ফাইভ স্টার হোটেল যেখানে এতবড় দুর্নীতি হয় যে, প্রতি মাসে এক হাজার কোটি টাকা লস দেখানো হয়। আমরা শ্রমিক হয়ে এসব দুর্নীতির কথা বললেই আমাদের চাকরি থাকে না এবং হোটেলে যে দুই তালায় ‘আয়নাঘর’ আছে সেখানে বন্দী করে রাখা হয়। দুর্নীতির বিষয়ে আমি সকল চাকরি যাওয়া শ্রমিকদেরকে নিয়ে আন্দোলন করতে গেলে তাতে বাধা দেওয়ার জন্য ডিবি পুলিশকে দিয়ে আমাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। আমাকে ডিবি অফিসে গুম করে রাখা হয়।
.png)
মো. নুরুজ্জামান বলেন, পরে বিষয়টা ছাত্রসমাজকে জানালে তারা ডিবি অফিস ঘেরাও করার হুমকি দিলে ১০ মিনিটের মধ্যে আমাকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং আমার পরিবারের কাছ থেকে রমনা থানার ওসি মুচলেকা দেওয়ার কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমাকে অন্যায়ভাবে তুলে নিয়ে গুম করতে চেয়েছিল এবং কার ইশারায় এই কাজটি হয়েছে তাদের সবাইকে তদন্তের মাধ্যমে বিচারে দাবি জানাই।
মো. নুরুজ্জামান আরো বলেন, আমরা যারা হোটেলের দুর্নীতিবাজদের দ্বারা চাকরি হারিয়েছি, সেসব দুর্নীতিবাজদের হোটেল থেকে সরিয়ে চাকরি ফিরিয়ে দেওয়া হোক।
এ সময় ছাত্র সমাজের পক্ষ থেকে আফসানা রহমান বলেন, ঘটনাটি আমাদেরকে জানানো হলে আমরা হোটেলে প্রবেশ করে হোটেল ম্যানেজমেন্টের অনেক দুর্নীতির বিষয়ে জানতে পারি। হোটেল ম্যানেজমেন্টে যারা বড় পদে দায়িত্ব আছে তার মধ্যে এমডি আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে অনেক দুর্নীতি ও নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ রয়েছে। ডিরেক্টর নাজমুল হুদা এবং ইন্ডিয়ান নাগরিক আসোনি রায় জিএম এদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার করার অভিযোগ রয়েছে। আমরা বলতে চাই এসব দুর্নীতিবাজরা বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর, তাদের বিষয়ে সঠিক তদন্ত করে বিচার করতে হবে।