শনিবার বেলা ১১টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ইসলামিক কালচারাল ফোরামের উদ্যোগে এ সেমিনার হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় আমির মাওলানা মাহমুদুল হাসান মমতাজী।
সেমিনারে লিখিত বক্তব্যে রাষ্ট্রচিন্তক আসাদ পারভেজ বলেন, জুলাই বিপ্লবে যারা শহিদ হয়েছেন তাদের সবার নাম প্রকাশ করতে হবে। এ সময় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ড. আসিফ মাহতাবকে উপদেষ্টা বানানোর দাবিও জানানো হয়।
.png)
নতুন পাঠ্যসূচি নিয়ে তিনি বলেন, পাঠ্যপুস্তক সংশোধনিতে নওফেলের অনুসারী বসে আছে, তাদেরকে সেখান থেকে ছাটাই করতে হবে। আগামীতে পাঠ্যপুস্তকে যে সব বিষয় ছাপানো হবে সেখানে ইসলাম বহির্ভূত খোলামেলা কথা থাকার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। সুতরাং বই প্রকাশ হওয়ার আগেই জাতিকে পাঠ্যসূচি সম্পর্কে সঠিক ধারনা দিতে হবে।
আসাদ পারভেজ আরো বলেন, প্রত্যেকের স্ব-ধর্ম সমর্থিত সংস্কৃতি পালন সাম্প্রদায়িকতা নয়। এটিই সৌন্দর্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। মনে রাখতে হবে, সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশি জনগণের যে বাঙালিয়ানা তা কেড়ে নেয়া হয়েছে। এদেশের সংস্কৃতি ৯১ শতাংশ মানুষকে ঘিরে হতে হবে। এখানে স্কুল, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক এবং ধর্মীয় রীতিনীতিকে তুলে ধরতে হবে। অর্থাৎ রাষ্ট্রের সব পর্যায়ে ইসলামী সংস্কৃতির অনুশীলন নিশ্চিত করতে হবে।
সেমিনারে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে ভারতের যে অবদানের বলেছেন নরেন্দ্র মোদি সেটির তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।
এ সময় সংগঠনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা মো. নাজমুল হক, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক শিক্ষক ড. আসিফ মাহতাব, সংগঠক, লেখক ও গবেষক মাওলানা রুহুল আমীন সাদী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় আমির মাওলানা আবু জাফর কাসেমী, গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল হক নুর, উলামা কল্যাণ পরিষদ বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা মোতাহার উদ্দিনসহ প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।