এ খবর টের পেয়ে যায় স্থানীয়রা। আটক করে হায়দারসহ তার বন্ধুদের। সবাইকে দেয় পিটুনি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। আটক করে তাদের থানায় নিয়ে আসলে চাইলে স্থানীয়রা বাধা দেয়। তারা পুলিশকে জানায় চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আটকদের বিচার হবে। পুলিশ এ বিচার মানতে না চাইলে দুই পক্ষে উত্তেজনা দেখা দেয়। স্থানীয়রা একপর্যায়ে মাইকে পুলিশকে প্রতিহতের ঘোষণা দেয়। এ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় গ্রামের লোকজন পুলিশের গাড়ির হাওয়া ছেড়ে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশ লাঠিপেটা করে বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসীকে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। সোমবার ভোরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহত হায়দারকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
রাজশাহীর এসপি মো. শহীদুল্লাহ বলেন, হায়দার ও তার দুই বন্ধুকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। দুই বন্ধুসহ ওই তরুণকে আজ আদালতে সোপর্দ করা হয়। আর কিশোরীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া এই ঘটনায় ওই কিশোরীর বাবা ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা করেছেন। সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে পুঠিয়া থানা-পুলিশের পক্ষ থেকে আরও একটি মামলা করা হবে।
.png)
ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম