ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

এবার পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল দেড় কোটি টাকা

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:৩৫, ২৬ অক্টোবর ২০১৯
এবার পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল দেড় কোটি টাকা
ছবি: সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জের শহরের হারুয়া এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে এবার রেকর্ড পরিমাণ ১ কোটি ৫০ লাখ ৮৪ হাজার ৫৯৮ টাকা পাওয়া গেছে। 

এর আগে এ মসজিদের দান বাক্স থেকে সর্বোচ্চ এক কোটি ১৭ লাখ টাকা পাওয়া যায়।

জানা গেছে, শনিবার সকালে পাগলা মসজিদের ৮টি লোহার দানবাক্স খোলা হয়। মসজিদ কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলার মেঝেতে শুরু হয় টাকা গণনার কাজ। টাকা গণনায় মসজিদ মাদরাসার ৬০ জন ছাত্রশিক্ষক ছাড়াও রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তাগণ অংশ নেন। এবার ৩ মাস ১৩ দিন পর মসজিদের দানসিন্ধুকগুলো খোলা হয়।

Advertisement

কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা মাজিস্ট্রেট (এডিএম) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) মীর মো. আল কামাহ্ তমাল, নির্বাহী মাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান, উবাইদুর রহমান সাহেল, পাগলা মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. শওকত উদ্দীন ভূঞা, রূপালী ব্যংকের এজিএম অনুফ কুমার ভদ্র প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। 

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা জানান, মসজিদের সিন্দুক থেকে এবার এক কোটি ৫০ লাখ ৮৪ হাজার ৫৯৮ টাকা পাওয়া গেছে। টাকাগুলো বান্ডেল করে পুলিশ প্রহরায় স্থানীয় রুপালী ব্যাংকে মসজিদের হিসেবে জমা করা হয়েছে। 

১৩ জুলাই পাগলা মসজিদের দান বাক্স থেকে এক কোটি ১৪ লাখ ৭৪ হাজার ৪৫০ টাকা পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে আছে বৈদেশিক মুদ্রাসহ বেশ কিছু স্বর্ণালঙ্কার। পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে এ যাবতকালে এক সঙ্গে পাওয়া সর্বাধিক পরিমাণ টাকা।

পাগলা মসজিদে মানত করলে মানুষের মনোবাসনা পূর্ণ হয়। এ বিশ্বাস থেকে প্রতিদিন শত শত মানুষ এ মসজিদের ৮টি বড় লোহার দানবাক্সে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, বিদেশি মুদ্রাসহ অন্যান্য জিনিস দান করেন। 

এ ছাড়াও মোমবাতি, ইসলামিক গ্রন্থ, গরু, ছাগল, মুরগি, চাল-পালসহ অন্যান্য দ্রব্যাদি দান করেন অনেকে।

জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় এ মসজিদটি পরিচালিত হয়ে আসছে। মসজিদের আয় থেকে জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা পরিচালনাসহ অসুস্থ্য এবং অসহায় মানুষকে এ মসজিদের আয় থেকে আর্থিক অনুদান দেয়া হয়ে থাকে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!