রায়পুরে পৃথক স্থানে দুই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে পৃথক স্থান থেকে দুই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার বিকেলে উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ইউপির চরকাচিয়া গ্রাম থেকে ছালেহা আক্তার ও চরমোহনা ইউপির দক্ষিণ রায়পুর গ্রাম থেকে সীমা আক্তারকে উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় সন্ধায় রায়পুর থানা ও হাজিমারা পুলিশ ফাঁড়ি কেন্দ্রে পৃথক সাধারন ডায়রি করা হয়েছে। গৃহবধূ ছালেহা আক্তার তার স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করলেও সীমা আক্তার কিভাবে মারা গেছেন তার রিপোট না আসা পর্যন্ত বলতে পারছেন না পুলিশ।
গৃহবধূ ছালেহা আক্তার চরকাছিয়া গ্রামের মহিজ উদ্দিন চৌকিদারের স্ত্রী ও ৪ নম্বর ওয়ার্ড সলিংয়ের মাথা নামক স্থানের জিন্না মোল্লার মেয়ে এবং মৃত গৃহবধু চরমোহনা গ্রামের হায়দার আলীর ছেরে রাশেদের নবাগত স্ত্রী ও দক্ষিণ চরবংশী ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ড ছৈয়াল বাড়ির খোকনের মেয়ে।
.png)
এলাকাবাসী জানান, ছালেহা ও মহিজ উদ্দীন চৌকিদারের সংসার ভালোই চলছিলো। সংসারে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
সীমার চাচা আমির আলী জানান, দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর চার মাস আগে রাশেদ সীমাকে বিয়ে করে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। উভয়ের পরিবার তাদের সম্পর্ক ও বিয়ে মেনেও নিয়েছে। বিয়ের পর রাশেদ জানতে পারেন তার স্ত্রীর বাবা সুইপারের কাজ করে সংসার চালান। এ নিয়ে দু'জনের মধ্য তুচ্ছ ঘটনায় মনমালিন্য ও একাধিকবার সীমাকে শারিরীক নির্যাতনও করে রাশেদ।
এ ঘটনায় রাশেদ মুঠোফোনে জানান, ঘটনার রাতে খাবার শেষে দু'জনে একসঙ্গে ঘুমিয়ে পড়ি। ঘুম থেকে উঠে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পাই।
রায়পুর চরবংশি ফাঁড়ি থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ছালেহার মরদেহ উদ্ধার করে সদর হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে। সাধারন ডায়রি করা হয়েছে। রায়পুর থানার এসআই মো. নাসিম জানান, সীমা আক্তারের মরদেহ উদ্বার করে সদর হাসপাতালের পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তরর রিপোট আসলে বলা যাবে হত্যা না আত্মহত্যা। এ ঘটনায় সাধারন ডায়রি করা হয়েছে।