জানা গেছে, প্রসবের পরপরই তিন শিশু মারা যায়। বাকি দুই শিশু জীবিত থাকলেও রোববার সকালে একে একে তারাও মারা যায়।
এর আগে, শনিবার রাত সাড়ে আটটায় প্রসব ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মারুফা বেগম এক প্রসূতি। প্রসূতির বর্ণনা শুনে হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে আল্ট্রাসনোগ্রাম করেন। এসময় প্রসব ব্যথা তীব্র হতে শুরু করলে মারুফা বেগমকে দ্রুত অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয়। সেখানে স্বাভাবিকভাবে চারটি ছেলে এবং একটি মেয়ে সন্তান প্রসব করেন।
.png)
অপরিণত হওয়ায় জন্মের অল্পে সময় পরেই তিন শিশু মারা যায়। রাতেই জীবিত অন্য দুই শিশু নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন মারুফা। তবে রোববার সকালে জীবিত থাকা দুই শিশুও মারা যায়।
কচুয়া টাওয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক সিনথিয়া সাহা জানান, মূলত অপরিণত হয়ে জন্ম হওয়ায় পাঁচ শিশুই মারা যায়।