বৃহস্পতিবার দুপুরে শহীদ মিয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আমলগ্রহণকারী আদালত দিরাই জোনের বিচারক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাগীব নূর।
সুনামগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. আশেক সুজা মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
.png)
শহীদ মিয়া সিলেটের জালালাবাদ থানার মোল্লারগাঁওয়ের তৌফিক মিয়ার ছেলে। ২ জানুয়ারি ভোরে সুনামগঞ্জের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে তাকে আটক করে সিআইডি। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রোববার রাতে শহীদ মিয়াকে দিরাই থানায় হস্তান্তর করা হয়। ওই ঘটনায় ২৭ ডিসেম্বর রাতে ছাতকের বুরাইরগাঁও থেকে হেলপার রশিদ আহমদকে গ্রেফতার করে পিবিআই। ২৯ ডিসেম্বর সে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জাবনবন্দি দেয়।
২৬ ডিসেম্বর বিকেলে সিলেটের লামাকাজী থেকে সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে যাচ্ছিলেন ওই কলেজছাত্রী। দিরাই পৌরসভার সুজানগরে সব যাত্রী নেমে গেলে বাসে একা হয়ে পড়েন তিনি। ওই সময় তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে চালক ও হেলপার। সম্ভ্রম বাঁচাতে চলন্ত বাস থেকেই লাফিয়ে পড়েন ওই ছাত্রী। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দিরাই হাসপাতালে নিয়ে যায়। মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়ায় তাকে দ্রুত সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ওই রাতেই বাসের চালক, হেলপারসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা। সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে ২২ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন ওই ছাত্রী। পরে আদালত তাকে বাবা-মার কাছে হস্তান্তর করে। সেই থেকে তিনি বাড়িতেই রয়েছেন। ঘটনার পর থেকে তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন তার বাবা-মা। জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও দাবি করেন তারা।